• September 4, 2025
  • 0 Comments
শেখ হাসিনা ও জয়ের বিরুদ্ধে রেড অ্যালার্ট জারির জন্য দুদকের চিঠি

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের বিরুদ্ধে রেড অ্যালার্ট জারির পদক্ষেপ নিতে পুলিশ হেড কোয়ার্টারে চিঠি পাঠিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) প্লট জালিয়াতির অভিযোগে দায়েরকৃত মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তারা এই চিঠি পাঠান।

চিঠিতে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনা ও তার ছেলে বিদেশে পালিয়ে গেছেন। ন্যায় বিচারের স্বার্থে আসামির অবস্থান চিহ্নিত করে দেশে ফিরিয়ে এনে আইনের মুখোমুখি করতে আদালত ওয়ারেন্ট ইস্যু করেছেন।

এদিকে, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) প্লট বরাদ্দে জালিয়াতির অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার বোন শেখ রেহানা ও বোনের মেয়ে টিউলিপ সিদ্দিক, আজমিনা সিদ্দিকসহ অন্য আসামিদের বিরুদ্ধে পৃথক তিন মামলায় তৃতীয় দিনের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে আজ।

বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে ঢাকার চতুর্থ বিশেষ জজ আদালতে সাক্ষ্যগ্রহণটি অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে, মামলায় জব্দতালিকার ৪৪টি নথির বিষয়ে সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়।

  • September 4, 2025
  • 0 Comments
স্ত্রীসহ জি এম কাদেরের বিদেশ যাত্রায় নিষেধাজ্ঞা

জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের (জিএম কাদের) ও তার স্ত্রী শেরীফা কাদেরের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) এ সংক্রান্ত আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর ভারপ্রাপ্ত সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক ইব্রাহীম মিয়া এ আদেশ দেন।

মনোনয়ন বাণিজ্যের মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থপাচারের অভিযোগে জিএম কাদেরের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চালাচ্ছে দুদক। এর অংশ হিসেবে এ দম্পতির বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করে সংস্থাটি। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন।

দুদকের অভিযোগ বিষয়ে বলা হয়েছে, ২০১৮ সালের একাদশ সংসদ নির্বাচনের পর সংরক্ষিত নারী আসনে দলীয় মনোনয়ন দিতে ১৮ কোটি ১০ লাখ টাকার ঘুষ গ্রহণ করা হয়, যার মূল সুবিধাভোগী ছিলেন তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জিএম কাদের।

অভিযোগে বলা হয়, চুক্তি অনুযায়ী অর্থ পরিশোধ না করায় অধ্যাপক মাসুদা এম রশীদ চৌধুরীকে দলীয় পদ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয় এবং তার স্থলে জিএম কাদেরের স্ত্রী শরীফা কাদের সংসদ সদস্য হন।

এতে আরও বলা হয়, জিএম কাদের জালিয়াতির মাধ্যমে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হন এবং দলীয় পদ বাণিজ্য ও মনোনয়ন বাণিজ্যের মাধ্যমে বিপুল অর্থ সংগ্রহ করেন, যা পরে বিদেশে পাচার করা হয়। জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটি ৩০১ সদস্যবিশিষ্ট হলেও বর্তমানে ৬০০ থেকে ৬৫০ জনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা পদ বাণিজ্যের প্রমাণ।

২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনে দাখিল করা হলফনামা অনুযায়ী, জিএম কাদেরের নামে নগদ ৪৯ লাখ ৮৮ হাজার টাকা, ব্যাংকে ৩৫ লাখ ৯৫ হাজার টাকা এবং ৮৪ লাখ ৯৮ হাজার টাকা মূল্যের একটি জিপ গাড়ি রয়েছে।

এ ছাড়া তার স্ত্রী শরীফা কাদেরের নামে নগদ ৫৯ লাখ ৫৯ হাজার টাকা, ব্যাংকে ২৮ লাখ ৯ হাজার টাকা এবং ৮০ লাখ টাকা মূল্যের তারও একটি জিপ গাড়ি রয়েছে। তার স্থাবর সম্পদের মধ্যে লালমনিরহাট ও ঢাকায় জমি ও ফ্ল্যাট রয়েছে।

উল্লেখ্য, ১৯৯৬ সালে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়া জিএম কাদের জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এ ছাড়া ২০০৯-২০১৪ সাল পর্যন্ত বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ছিলেন তিনি।

  • September 4, 2025
  • 0 Comments
এবার বেপরোয়া ইসরায়েলকে কঠিন হুঁশিয়ারি দিল আরব আমিরাত

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় দীর্ঘ প্রায় ২৩ মাস ধরে অমানবিক আগ্রাসন চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। হামাস উৎখাত ও জিম্মি মুক্তির নাম দিয়ে প্রতিদিনই দখলদার বাহিনী ভয়াবহ হামলা ও নিপীড়ন চালিয়ে যাচ্ছে নিরীহ গাজাবাসীর ওপর। দখলদারদের নারকীয় এ হত্যাযজ্ঞ শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত মৃত্যুহীন একটি দিন পার করতে পারেনি ভূখণ্ডটির বাসিন্দারা। 

সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু গাজা দখলের পরিকল্পনা নিয়ে প্রকাশ্য ঘোষণা দেওয়ার পর তাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থন পেয়ে যেন আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে ইসরায়েল। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ হলেও সেগুলোকে গ্রাহ্যই করছে না নেতানিয়াহু ও তার প্রশাসন। জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক আদালতও অমানবিক এ আগ্রাসনে লাগাম টানতে ব্যর্থ। এরই মধ্যে দখলকৃত পশ্চিম তীর পুরোপুরি ইসরায়েলের মানচিত্রে মিলিয়ে ফেলার পরিকল্পনাও এখন প্রকাশ্যে। 

এ অবস্থায় এবার দখলদার রাষ্ট্রটিকে কঠিন হুঁশিয়ারি দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। ইসরায়েল তার এই দখলনীতিতে অটল থাকলে আমিরাতের সঙ্গে হওয়া তাদের আব্রাহাম চুক্তি ঝুঁকির মধ্যে পড়ে যাবে বলে জানিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম শক্তিশালী দেশটি। মূলত, আরব আমিরাত ও ইসরায়েলের কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করতেই করা হয়েছিল এই চুক্তি। 

বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বিবিসি। 

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসরায়েল তার মানচিত্রে অধিকৃত পশ্চিম তীর পুরোপুরি যুক্ত করে নিলে, তা চূড়ান্ত সীমা লঙ্ঘনের শামিল হবে বলে সতর্ক করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)। 

দেশটির জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক লানা নুসেইবেহ বলেছেন, এ ধরনের পদক্ষেপ ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাতের দ্বি–রাষ্ট্রীয় সমাধানের সম্ভাবনা নস্যাৎ করবে।

আরব আমিরাতের এই অবস্থানকে স্বাগত জানিয়েছে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ (পিএ)। তবে, এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করেনি ইসরায়েলের সরকার।

নুসেইবেহ এমন এক সময়ে এ মন্তব্য করেছেন, যখন ইসরায়েলের কট্টর ডানপন্থী অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচ পশ্চিম তীরের প্রায় চার-পঞ্চমাংশ দেশটির সঙ্গে যুক্ত করার প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন।

১৯৬৭ সালের মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের সময় পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেম দখল করে প্রায় ১৬০টি বসতি গড়ে তুলেছে ইসরায়েল। আন্তর্জাতিক আইনে এসব বসতি অবৈধ।

রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাওয়ার পর পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেমকে নিজেদের ভূখণ্ড হিসেবে দেখতে চায় ফিলিস্তিন। ওই অঞ্চলে প্রায় ৭ লাখ ইহুদি ও ৩৩ লাখ ফিলিস্তিনির বসবাস।

২০২০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় স্বাক্ষরিত আব্রাহাম চুক্তির মাধ্যমে আরব আমিরাত, বাহরাইন ও মরক্কো ইসরায়েলের সঙ্গে পূর্ণ কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে। চুক্তির অন্যতম শর্ত ছিল—ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে তৎকালে পশ্চিম তীরের কিছু অংশ দেশটির সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা বাদ দিতে হবে। 

সে সময় নেতানিয়াহু বলেছিলেন, পরিকল্পনা ‘সাময়িকভাবে স্থগিত’ করা হলো, তবে সেটি এখনও আলোচনার টেবিলে রয়ে গেছে।

আরব আমিরাতের জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক লানা নুসেইবেহ বলেন, শুরু থেকেই আমরা আব্রাহাম চুক্তিকে ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি সমর্থন অব্যাহত রাখা ও তাদের স্বাধীন রাষ্ট্রের বৈধ আকাঙ্ক্ষার পক্ষে কূটনৈতিক সুযোগ হিসেবে দেখেছি। পশ্চিম তীরকে ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্ত করার সিদ্ধান্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের কাছে চরম সীমা লঙ্ঘন বলে  প্রতীয়মান হবে।

  • September 4, 2025
  • 0 Comments
২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা: তারেক রহমান-বাবরসহ সব আসামির খালাসের রায় বহাল

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত তারেক রহমান ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ সব আসামির খালাসের হাইকোর্টের রায় বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ।
বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে ৬ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ রায় দেন।
এর আগে গ্রেনেড হামলা মামলায় সব আসামির খালাসের রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের দায়ের করা আপিলের রায় ঘোষণার জন্য আজকের দিন ধার্য করা হয়।
গত ২১ আগস্ট মামলার চূড়ান্ত শুনানি শেষে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন ৬ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ রায়ের জন্য এ দিন ধার্য করেন। সেদিন আদালতে আসামিদের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট এস এম শাহজাহান ও অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির।
চলতি বছরের ১২ জানুয়ারি ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় নিম্ন আদালতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত সব আসামিকে খালাস দেন হাইকোর্ট।  
বিচারিক আদালতের রায় বাতিল করে বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন। এরপর এ মামলায় সব আসামির খালাসের বিরুদ্ধে আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ। গত ১ জুন রাষ্ট্রপক্ষকে আপিলের অনুমতি দেন আপিল বিভাগ।
২০১৮ সালের ১০ অক্টোবর এ মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, সাবেক উপমন্ত্রী আব্দুস সালাম পিন্টুসহ ১৯ জনকে ফাঁসি এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, বিএনপি নেতা কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদসহ ১৯ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন বিচারিক আদালত।
উল্লেখ্য, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। এ হামলায় আওয়ামী লীগের ২৪ নেতাকর্মী নিহত হন। ঘটনার পর হত্যা ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে দুটি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়।

  • September 4, 2025
  • 0 Comments
মানিকগঞ্জে প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার সুরক্ষায় আলোচনা সভা

মানিকগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি :

প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার ও সুরক্ষা সংক্রান্ত কমিটির আওতায় মানিকগঞ্জ জেলার বিভিন্ন পর্যায়ে গঠিত অধিকার সুরক্ষা কমিটিগুলোর সদস্যদের নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ (বৃহস্পতিবার) জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এই সভার আয়োজন করে যৌথভাবে জেলা প্রশাসন ও মানিকগঞ্জ ডিজঅ্যাবল পিপলস অর্গানাইজেশন টু ডেভেলপমেন্ট (এমডিপিওডি)।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক ও রাজস্ব) মোহাম্মদ আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক যুগ্ সচিব ড. মানোয়ার হোসেন মোল্লা, জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার দুরাখসা জাহান প্রিয়াংকা, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক আব্দুল বাতেন, সাইট সেভার্সের কান্ট্রি ডিরেক্টর অমৃতা রেজিনা রোজারিও, এমডিপিওডি’র পরিচালক এন্তাজ আলী, মানিকগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক শাহানুর ইসলাম, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো: শরিফ উল্লাহ, মানিকগঞ্জ পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা বজলুর রহমান, ন্যাশনাল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের পরিচালক ড. প্রকৌশলী ফারুক হোসেন, মানিকগঞ্জ সিআরপি’র ব্যাবস্থাপক মাহবুবুল ইসলাম কমিটির সদস্যবৃন্দ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. মানোয়ার হোসেন মোল্লা বলেন, শুধু আইন দিয়ে প্রতিবন্ধীদের অধিকার সংরক্ষণ করা সম্ভব নয়।আমাদের আন্তরিকতা, ভালবাসা ও ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে তাদের পাশে দাঁড়াতে হবে।মহান আল্লাহ আমাদের তখনই ভালবাসবেন যখন আমরা তার সৃষ্টির প্রতি ভালবাসা দেখাবো।

সমতার বাংলাদেশ ক্যাম্পেইন, সাইটসেভার্স বাললাদেশ কান্ট্রি অফিসের সহযোগিতায় আয়োজিত এই সভায় প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার সুরক্ষা আইন ও এর যথাযথ বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়।

  • September 4, 2025
  • 0 Comments
সিংগাইরে ট্রাক-সিএনজি সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ২

মানিকগঞ্জের সিংগাইরে ট্রাক ও সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ২ জন।

৪ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সকাল ৭টার দিকে সিংগাইর পৌরসভার বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন প্রশিকা সড়কের মাথায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, মানিকগঞ্জের দৌলতপুর থানার নিলুয়া গ্রামের পরশ উদ্দিনের ছেলে আব্দুল মান্নান (২৩) এবং হরিরামপুর থানার কৌরি ঝিটকা গ্রামের মৃত শেরজন মোল্লার ছেলে মনির হোসেন (৬০)।

আহতরা হলেন, মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার দক্ষিণ সেওতা গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে মহসিন (৩২) এবং পাবনার সাথিয়া থানার পাটগাড়ি গ্রামের মৃত আফাজউদ্দিনের ছেলে শাহজাহান আলী (৬০)।

পথচারীরা জানান, মানিকগঞ্জগামী একটি মালবাহী ট্রাকের সাথে বিপরীত দিক থেকে আসা সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুইজন মারা যান এবং অপর দুই যাত্রী গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে সিংগাইর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেন। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন এবং আহত দুজনকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

সিংগাইর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আমিনুল ইসলাম দুর্ঘটনায় দুইজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ট্রাক ও সিএনজি জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

  • September 4, 2025
  • 0 Comments
প্রাথমিকে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ গণমানুষের প্রাণের দাবি: শায়খ আহমাদুল্লাহ

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিশেষায়িত ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হোক- এটা বহুকাল ধরে গণমানুষের প্রাণের দাবি ছিল বলে উল্লেখ করেছেন আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ।

বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেয়া এক পোস্টে তিনি এ বিষয়ে কথা বলেন।

শায়খ আহমাদুল্লাহ ফেসবুকে লেখেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিশেষায়িত ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হোক, এটা বহুকাল ধরে গণমানুষের প্রাণের দাবি ছিল। সেই দাবি আজও বাস্তবায়িত হয়নি। অথচ প্রাথমিকে গানের শিক্ষক নিয়োগের বিষয়ে সরকার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। এই দেশে কত পার্সেন্ট মানুষ সন্তানকে গান শেখায়? কত পার্সেন্ট মানুষ স্কুলে গানের শিক্ষক চায়? বরং অধিকাংশ অভিভাবক চায়, বিদ্যালয়ে যেন তাদের সন্তানকে গান শেখানো না হয়।

আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান লেখেন,

এ দেশের প্রায় সব অভিভাবক সন্তানের জন্য প্রাইভেট ধর্মীয় শিক্ষক রাখেন কিংবা সন্তানকে মক্তবে পাঠান। সরকার যদি স্কুলে বিশেষায়িত ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দিত, তাহলে অভিভাবকদের এই বাড়তি খরচ ও ঝামেলা পোহাতে হতো না। শিক্ষার্থীদেরও সময় বেঁচে যেত।

তিনি আরও লেখেন, প্রাথমিক শিক্ষার পেছনে রাষ্ট্র প্রতি মাসে শত শত নয়; বরং হাজার কোটি টাকা ব্যয় করছে। অথচ শিক্ষার মান দিন দিন অবনতির দিকে যাচ্ছে। একদিকে অভিভাবকদের আস্থা হারাচ্ছে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো, অপরদিকে কিশোর গ্যাংয়ের মতো ভয়াবহ অপরাধ দিন দিন আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে।

শায়খ আহমাদুল্লাহ লেখেন, এমতাবস্থায় প্রয়োজন শিক্ষার মান উন্নয়ন এবং নৈতিক শিক্ষার প্রতি গুরুত্বারোপ। সেটা না করে কাদের খুশি করার জন্য গানের শিক্ষক নিয়োগে প্রজ্ঞাপন জারি করা হলো?

তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে লেখেন,

সরকারের প্রতি আমাদের উদাত্ত আহ্বান গণ-আকাঙ্ক্ষা উপেক্ষা করে বাইরে থেকে আমদানি করা কালচার চাপিয়ে দেয়ার চিরাচরিত পথ পরিহার করুন। দেশের মানুষ এসবের পরিবর্তন চায়।

মন্তব্যের ঘরে তিনি লেখেন, প্রজ্ঞাপনে তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদের জন্য শিক্ষকতায় বিশেষ কোটা রাখা হয়েছে। মেডিকেল টেস্টে প্রমাণিত হিজড়া বা জন্মগত লিঙ্গ প্রতিবন্ধীদের বিষয়ে কারো আপত্তি থাকার কথা না। কিন্তু কোটা চালু করে ‘তৃতীয় লিঙ্গ’ শব্দের মারপ্যাঁচে কওমে লুতের অনুসারীদের শিক্ষকতায় ঢোকানো হতে পারে বলে আমরা উদ্বিগ্ন। এটা দেশ ও জাতির সাথে যুদ্ধের শামিল। এই ধরনের বিকৃত মানসিকতার লোকেরা যদি কোমলমতি শিক্ষার্থীদের শিক্ষক হয়, তবে সেই শিক্ষা-ব্যবস্থার পতন ঘণ্টা বাজতে বেশি দেরি হবে না।

  • September 4, 2025
  • 0 Comments
আদালত ঘোষিত পলাতক ব্যক্তি প্রার্থী হতে পারবেন না: ইসি সানাউল্লাহ

নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, বিদ্যমান আইনে ফৌজদারি মামলায় আদালত ঘোষিত পলাতক আসামি নির্বাচনে অংশ নিতে পারতেন। কিন্তু সংশোধিত আইনে সেই সুযোগ থাকছে না। অর্থাৎ যেকোনো ফৌজধারী অপরাধে ঘোষিত পলাতক আসামিরা ভোটে দাড়াতে পারবেন না।

বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) আরপিও সংশোধন নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন।

রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন স্থগিত প্রসঙ্গে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, সরকার কোনো রাজনৈতিক দলের কর্মকাণ্ড স্থগিত করেলে সেই দলের নিবন্ধন ও প্রতীক স্থগিত থাকবে।

তিনি আরও বলেন, আগে ভোট শুরু নিয়ে প্রিজাইডিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত ছিল। তবে মাঝখানে তা সংশোধন করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিবেদনের পর ভোট শুরুর বিধান হয়েছিল। এটাকে আবার পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা হয়েছে। ফলে ভোটকেন্দ্রে প্রিজাইডিং অফিসার সর্বেসর্বা হবেন। তিনি চাইলে এক বা একাধিক কেন্দ্র ও পুরো আসনে ভোট বন্ধ এবং ফলাফল বাতিল করতে পারবেন। কেউ নির্বাচিত হয়ে যাওয়ার পরেও হলফনামার তথ্য মিথ্যা প্রমাণিত হলে তার সংসদ সদস্যপদ বাতিল করতে পারবে নির্বাচন কমিশন।

প্রার্থীদের নির্বাচনী খরচ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, একজন প্রার্থী ভোটার প্রতি সর্বোচ্চ ১০ টাকা খরচ করতে পারবেন। অথবা আসন প্রতি সর্বনিম্ন ২৫ থেকে লাখ টাকা থেকে ভোটার সংখ্যা অনুযায়ী নির্বাচনী ব্যয় করতে পারবেন।

একটি রাজনৈতিক দল বা প্রার্থী সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত ডোনেশন নিতে পারবে।

প্রার্থী আয়-ব্যয়ের হিসেব প্রসঙ্গে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, বিদ্যমান আইনে প্রার্থীদের দেশের মধ্যকার সম্পদের হিসেব দেয়ার বিধান ছিল। কিন্তু সংশোধনীতে বিদেশে সম্পদের তথ্য দেয়ার কথা বলা হয়েছে। এ সময় প্রার্থী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদে থাকতে পারবেন না বলেও জানান তিনি।

  • September 4, 2025
  • 0 Comments
অশালীন মন্তব্যে ছাত্রদল নেতাকে বহিষ্কারের দাবিতে উত্তাল রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

রাত ১১টার পর প্রবেশ করা ছাত্রীদের ‘বিনা পারিশ্রমিক যৌনকর্মী’ বলা ছাত্রদল নেতা আনিসুর রহমান মিলনকে বহিষ্কারের দাবিতে উত্তাল রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে মিলনকে স্থায়ী বহিষ্কারের দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করেন জুলাই-৩৬ হলের ছাত্রীরা।

এ সময় তারা ‘ইভটিজারের কালো হাত ভেঙে দাও, গুড়িয়ে দাও’, ‘নারীদের বুলিং করে, প্রশাসন কী করে?’, ‘ইভটিজারের ঠিকানা, এই ক্যাম্পাসে হবে না’ বলে নানা স্লোগান দিতে থাকেন।

বিক্ষোভ থেকে ছাত্রীরা ছাত্রদল আনিসুর রহমানের স্থায়ী বহিষ্কার, মনোনয়নপত্র বাতিল ও প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইওয়ার শর্ত দেন। এছাড়া সাইবার বুলিং সেল গঠন, ফেসবুকে যাবতীয় অশালীন মন্তব্যের জড়িতদের জবাবদিহিতার আওতায় আনার দাবি জানান তারা।

ছাত্রদল নেতাআনিসুর রহমান মিলন বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহ মখ্দুম হল শাখা ছাত্রদলের সহসভাপতির দায়িত্বে আছেন। অভিযোগ ওঠার পর রাতে ওই নেতার পদ সাময়িক স্থগিতের কথা জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল।

এক বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি বলেছে, “বিষয়টির সত্যতা যাচাই না হওয়া পর্যন্ত আনিসুর রহমানের পদ সাময়িক স্থগিত করা হয়েছে। সত্যতা যাচাই ও সঠিক তদন্ত নিশ্চিত করার জন্য ২ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে আছেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি শাকিলুর রহমান ও জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পদাক শফিকুল ইসলাম।

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী বলেন, প্রাথমিকভাবে তাকে জিজ্ঞাসা করেছি। তিনি জানিয়েছেন, তার আইডির নিয়ন্ত্রণ তার কাছে ছিল না। সাংগঠনিক দায়িত্বে থেকে এমনটা করার কথা না।

আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখব। যদি ঘটনার সতত্য পাওয়া যায়, তাকে আজীবনের জন্য ছাত্রদল থেকে বহিষ্কার করা হবে। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে শাস্তি দেওয়ার জন্য ছাত্রদল থেকে সুপারিশ করা হবে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমান জানান, বিষয়টি নিয়ে আমাদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। আগামীকাল প্রক্টরিয়াল বডি থেকে ওই নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হবে।

অন্যদিকে, ছাত্রদল নেতার অশালীন মন্তব্যের প্রতিবাদ ও তাকে স্থায়ী বহিষ্কারের দাবিতে কাল বেলা ১১টায় প্যারিস রোডে একযোগে বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে ক্যাম্পাসের নারী শিক্ষার্থীরা। এছাড়া একই সময়ে স্টুডেন্ট রাইটস অ্যাসোসিয়েশন ও সোচ্চারও বিক্ষোভের ঘোষণা দিয়েছে।

উল্লেখ্য, গত সোমবার রাত ১১টার পরে হলে ফেরায়, জুলাই-৩৬ হলের ৯১ ছাত্রীকে প্রাধ্যক্ষের অফিসে তলব করে নোটিশ দেয় হল কর্তৃপক্ষ। ওই বিজ্ঞপ্তির একটি ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনা হয়। পরদিন মঙ্গলবার সমালোচনার মুখে অনিবার্য কারণ দেখিয়ে নোটিশটি প্রত্যাহার করে নেয় হল প্রশাসন। ফেসবুকে এ-সংক্রান্ত একটি ফটোকার্ডের মন্তব্যের ঘরে ছাত্রদল নেতা আনিসুর রহমানের আইডি থেকে ছাত্রীদের ‘বিনা পারিশ্রমিক যৌনকর্মী’ বলে মন্তব্য করা হয়।

  • September 4, 2025
  • 0 Comments
ব্যালট পেপার ছাপানোর ঘোষণা দেওয়া সেই যুবদল নেতা বহিষ্কার

‘প্রয়োজনে আমরা আলাদা ব্যালট পেপার ছাপাবো, যেখানে ধানের শীষ থাকবে’ এমন বক্তব্য দেওয়া যুবদল নেতা মাওলানা আবুল খায়েরকে বহিষ্কার করা হয়েছে। স্থগিত করা হয়েছে তার প্রাথমিক সদস্যপদও।

বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নের সিদ্ধান্তক্রমে বুধবার দপ্তর সম্পাদক নুরুল ইসলাম সোহেল স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তাকে বহিষ্কার করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থি কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগে কুমিল্লা উত্তর জেলা শাখার অধিনস্থ চান্দিনা উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আবুল খায়েরকে প্রাথমিক সদস্য পদসহ দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বহিষ্কৃত নেতৃবৃন্দের কোনো ধরনের অপকর্মের দায়-দায়িত্ব দল নেবে না বলে উল্লেখ করা হয়। এ ছাড়া, যুবদলের সব পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের তাদের সঙ্গে সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নাম প্রকাশ না করা শর্তে কুমিল্লা উত্তর জেলা যুবদলের একাধিক নেতৃবৃন্দ জানান, নির্বাচনে আলাদা ব্যালট পেপার ছাপানোর ঘোষণা সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক। তার এমন বক্তব্য দলের ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন করেছে। চিঠিতে সুনির্দিষ্টভাবে ‘ব্যালট পেপার ছাপানোর ঘোষণা’ উল্লেখ না করলেও মূলত ওই বক্তব্যের কারণেই তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে সদ্য বহিষ্কৃত চান্দিনা উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মাওলানা আবুল খায়ের বলেন, এখনও আমি কোনো চিঠি হাতে পাইনি। দল যদি আমাকে বহিষ্কার করে তারপরও দলের সিদ্ধান্তকে শ্রদ্ধা জানাই।

এদিকে, একই প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থি কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগে কুমিল্লা মহানগর যুবদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক জাহিদুল ইসলাম নাসেরকেও বহিষ্কার করা হয়।

প্রসঙ্গত, গত ১৬ আগস্ট কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার কংগাই উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ইউনিয়ন বিএনপির কর্মী সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় মাও. আবুল খায়ের আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ‘প্রয়োজনে আমরা আলাদা ব্যালট পেপার ছাপাবো, যেখানে ধানের শীষ থাকবে’ এমন বক্তৃতা দিয়ে দেশজুড়ে সমালোচনার ঝড় তোলেন।

অন্যান্য