আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ৯ লাখেরও বেশি সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। এদের মধ্যে সেনাবাহিনীর এক লাখেরও বেশি সদস্য থাকবেন।
এছাড়া নৌবাহিনীর ৫ হাজারের বেশি সদস্য, বিমান বাহিনীর ৩ হাজার ৭৩০ জন, পুলিশের দেড় লক্ষাধিক, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ৫ লাখ ৭৬ হাজার, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) ৩৮ হাজার, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের ৩ হাজার ৫০০, র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) প্রায় ৮ হাজার এবং ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের ১৩ হাজার ৩৯০ জন সদস্য ভোটের মাঠে দায়িত্ব পালন করবেন।
পাশাপাশি বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোরের (বিএনসিসি) ১৫ হাজার সদস্যকেও নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। এবারই প্রথম ভোটের মাঠে ফায়ার সার্ভিসকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যেন তারা দ্রুত যে কোনো ঘটনাস্থলে ছুটে যেতে পারেন।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
তিনি বলেন, আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের ওপর আয়োজিত গণভোট সামনে রেখে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে সভা হয়। ওই সভায় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
