• January 12, 2026
  • 0 Comments
নতুন জরিপে চমক: ভোটের খেলায় বিএনপি–জামায়াত কত শতাংশে এগিয়ে?

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে এক জনমত জরিপ প্রকাশিত হয়েছে। তাতে বিএনপি ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি প্রতিদ্বন্দ্বিতার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

জরিপ অনুযায়ী, বিএনপিকে ভোট দিতে চান ৩৪ দশমিক ৭ শতাংশ ভোটার এবং জামায়াতে ইসলামীকে ভোট দেওয়ার কথা বলেছেন ৩৩ দশমিক ৬ শতাংশ। জাতীয় নাগরিক পার্টিকে (এনসিপি) ৭ দশমিক ১ শতাংশ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশকে ৩ দশমিক ১ শতাংশ এবং অন্যান্য দলকে ৪ দশমিক ৫ শতাংশ ভোটার সমর্থন দেবেন বলে জরিপে জানিয়েছেন।

তবে জরিপে শরিক বড় একটি অংশ এখনো সিদ্ধান্ত নেননি, এ সংখ্যাটি ১৭ শতাংশ।

সোমবার (১২ জানুয়ারি) বিকেলে জাতীয় প্রেস ক্লাবের আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রাক-নির্বাচনী জনমত জরিপ ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬’ প্রকাশ করে ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ল’ অ্যান্ড ডিপ্লোম্যাসি (আইআইএলডি)। নির্বাচন সামনে রেখে প্রজেকশন বিডি, জাগরণ ফাউন্ডেশন এবং ন্যারাটিভের যৌথ উদ্যোগে এ জনমত জরিপের ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে।

জরিপের পরিধি ও পদ্ধতি প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, জরিপটি গত ২১ নভেম্বর থেকে ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত পরিচালিত হয়। এতে বাংলাদেশের ৬৪টি জেলার ২৯৫টি সংসদীয় আসনের অন্তর্ভুক্ত ২২ হাজার ১৭৪ নিবন্ধিত ভোটার অংশ নেন। ভৌগোলিক, শহর-গ্রাম ও জনসংখ্যাগত ভারসাম্য নিশ্চিত করতে স্ট্র্যাটিফায়েড স্যাম্পলিং ডিজাইন অনুসরণ করা হয় এবং ২০২২ সালের জাতীয় আদমশুমারির ভিত্তিতে পোস্ট-স্ট্র্যাটিফিকেশন ওয়েটিং পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়েছে।

জরিপকারী প্রতিষ্ঠান বলছে, মেশিন লার্নিং প্রজেকশন অনুযায়ী সিদ্ধান্তহীন ভোটারদের ঝোঁক বিবেচনায় নিলে বিএনপির সমর্থন ৪৩.২ শতাংশ এবং জামায়াতে ইসলামীর সমর্থন ৪০.৮ শতাংশে পৌঁছাতে পারে।

ভোটারদের প্রধান উদ্বেগ ও দলের সমর্থনের ভিত্তি হিসেবে বিএনপির ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা ও রাষ্ট্র পরিচালনার সক্ষমতা তুলে ধরা হয়েছে। অন্যদিকে জামায়াতের ক্ষেত্রে ভোটাররা সততা ও পরিবর্তনের রাজনীতিতে আকৃষ্ট হচ্ছেন। জরিপের ফল অনুযায়ী, বিএনপির ৭২.১ শতাংশ সমর্থক দলটির অতীত অভিজ্ঞতা ও প্রশাসনিক সক্ষমতাকে সমর্থনের প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

ডেমোগ্রাফিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ৩০ থেকে ৪৪ বছর (৩৮.৪ শতাংশ) এবং ৪৫ থেকে ৫৯ বছর (৩৭.৪ শতাংশ) বয়সী কর্মক্ষম ভোটারদের মধ্যে বিএনপির সমর্থন বেশি। পেশাজীবীদের মধ্যে কৃষক (৪২.৬ শতাংশ) এবং শ্রমিকদের (৪০.৬ শতাংশ) মধ্যে বিএনপির শক্ত অবস্থান রয়েছে।

জামায়াতে ইসলামীর সমর্থকরা দলটিকে মূলত ‘কম দুর্নীতিগ্রস্ত’ (৪৪.৮ শতাংশ) এবং ‘সততার ভাবমূর্তি’র (৪০.৭ শতাংশ) কারণে সমর্থন করছেন। তরুণ প্রজন্মের (১৮ থেকে ২৯ বছর বয়সী) মধ্যে জামায়াতের সমর্থন সর্বোচ্চ (৩৩.৬ শতাংশ)। উচ্চশিক্ষিত জনগোষ্ঠী বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারীদের মধ্যে দলটির সমর্থন ৩৭.৪ শতাংশ, যা অন্য যে কোনো দলের চেয়ে বেশি। ডিজিটাল মিডিয়া ও সোশ্যাল মিডিয়ায় তরুণ ও শিক্ষিত ভোটারদের সম্পৃক্ত করার ক্ষেত্রে দলটি এগিয়ে আছে।

অন্যদিকে জুলাই অভ্যুত্থানের মাধ্যমে তৈরি জাতীয় নাগরিক পার্টিকে (এনসিপি) সমর্থন করার পেছনে ৩৬.৭ শতাংশ মানুষ ‘জুলাই বিপ্লবে ভূমিকা’কে প্রধান কারণ হিসেবে দেখছেন।

জরিপে ১৭ শতাংশ ভোটার এখনো সিদ্ধান্তহীন। তাদের মধ্যে ৩০.১ শতাংশ ভোটার জানিয়েছেন, তারা কোনো রাজনৈতিক দলকেই বিশ্বাস করতে পারছেন না এবং ৩৮.৬ শতাংশ ভোটার কোনো মতামত দেননি। এই ভোটাররাই শেষ পর্যন্ত নির্বাচনের ফলাফল নির্ধারণে ‘গেম চেঞ্জার’ হিসেবে আবির্ভূত হতে পারেন।

জরিপে জানানো হয়, ২০২৬ সালের নির্বাচন হবে ‘প্রয়োজনের শ্রেণিবিন্যাস’ (বিএনপির অভিজ্ঞতা ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা) এবং ‘মূল্যবোধের শ্রেণিবিন্যাস’ (জামায়াতের সততা ও ন্যায়বিচার)-এর মধ্যে এক দার্শনিক ও রাজনৈতিক লড়াই। ভোটারদের একটি বিশাল অংশ প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার, দুর্নীতি দমন এবং জুলাই অভ্যুত্থানের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ল অ্যান্ড ডিপ্লোম্যাসির চেয়ারম্যান ড. মাহফুজুল হক, সোয়াস ইউনিভার্সিটি অব লন্ডনের অধ্যাপক রাজনৈতিক বিশ্লেষক ড. মুশতাক খান, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির স্কুল অব বিজনেসের ডিন ড. এ কে এম ওয়ারেসুল করিম, ইউনিভার্সিটি অব রেজিনার সহযোগী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আসাদুল্লাহ, বিডিজবসের প্রধান নির্বাহী এ কে এম ফাহিম মাশরুর, গণবিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী এবং সেন্টার ফর সিকিউরিটি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব) আমসা আমিন প্রমুখ।

  • January 12, 2026
  • 0 Comments
মানিকগঞ্জে গৃহবধু ধর্ষণের অভিযোগে দুই আনসার সদস্য আটক

মানিকগঞ্জ জেলা সংবাদদাতা :

মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা দুই আনসার সদস্যের বিরুদ্ধে এক গৃহবধুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত দুই আনসার সদস্যকে আটক করে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

ভুক্তভোগীর স্বামী জানান, রবিবার (১২ জানুয়ারি) রাতের দিকে তারা মানিকগঞ্জে এক আত্মীয়ের বাড়িতে যাওয়ার পথে দেরি হয়ে যায়। নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে রাত আনুমানিক ১২টার দিকে তারা মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে অবস্থান নেন। এ সময় কর্তব্যরত দুই আনসার সদস্য নিরাপত্তার অজুহাতে তাদের হাসপাতালের দ্বিতীয় তলায় নিয়ে যান।

ভুক্তভোগীর স্বামীর অভিযোগ, এরপর বিভিন্ন অজুহাতে সময় ক্ষেপণ করা হয়। রাত আনুমানিক ৩টার দিকে তাকে আলাদা স্থানে আটকে রেখে তার স্ত্রীকে ধর্ষণ করা হয়।

হাসপাতাল আনসার ক্যাম্পের সহকারী প্লাটুন কমান্ডার সাহেব মিয়া জানান, রাত তিনটার দিকে তিনি ধর্ষণের বিষয়টি জানতে পারেন। এরপর বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও পুলিশকে অবহিত করা হয়।

এ বিষয়ে মানিকগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সারওয়ার আলম বলেন, “গৃহবধু ধর্ষণের অভিযোগের পরপরই দুই আনসার সদস্যকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

আটক আনসার সদস্যরা হলেন—

আবু সাঈদ (২৬), পিতা হাবিবুর রহমান, বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলার করিমগঞ্জ উপজেলার আশুতিয়াপাড়া গ্রাম এবং

সাহাদৎ হোসেন (৩২), পিতা আজাহার আলী, বাড়ি টাঙ্গাইল জেলার ভূঞাপুর উপজেলার ফলদা গ্রাম।

হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক বাহাউদ্দিন জানান, ধর্ষণের শিকার গৃহবধুকে হাসপাতালে ভর্তি রেখে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও মেডিকেল পরীক্ষা করা হচ্ছে।

ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকায় চরম ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়। দায়িত্বশীল বাহিনীর সদস্যদের দ্বারা এমন ঘটনায় সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বলে স্থানীয়রা মন্তব্য করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত শেষে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • January 12, 2026
  • 0 Comments
মানিকগঞ্জে নারীর রহস্যজনক মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য

স্টাফ রিপোর্টার, মানিকগঞ্জ :
মানিকগঞ্জে ঘরের ভেতর বাইরে থেকে তালাবদ্ধ অবস্থায় এক নারীর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিহত নারীর নাম মোছা. নুরজাহান (৫৫)। তিনি পৌলি এলাকার বাসিন্দা ও আবুল খায়েরের স্ত্রী।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত রোববার (১১ জানুয়ারি) সারাদিন মায়ের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন নুরজাহানের মেয়ে কাজল। এতে উদ্বিগ্ন হয়ে তিনি প্রতিবেশীদের বিষয়টি জানান। তখন প্রতিবেশীরা জানান, নুরজাহানের বসতঘরে বাইরে থেকে তালা লাগানো রয়েছে।

রাত আনুমানিক ১১টা ৫০ মিনিটে কাজল ধামরাই থেকে বাড়িতে এসে তালা খুলে ঘরের ভেতরে প্রবেশ করলে মেঝেতে পড়ে থাকা মায়ের রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পান। নুরজাহানের মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন ছিল এবং তার গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় পাওয়া যায়।

খবর পেয়ে রাত আনুমানিক ১২টা ৪০ মিনিটে মানিকগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করে। এ সময় ঘরের ভেতরের আসবাবপত্র ও জামাকাপড় এলোমেলো অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়, যা ঘটনাটিকে আরও রহস্যজনক করে তুলেছে।

পুলিশ মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে ময়নাতদন্তের জন্য মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।

এ বিষয়ে মানিকগঞ্জ থানার তদন্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) আমিনুল ইসলাম বলেন, “মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ণয়ে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।”

ঘটনাটি আত্মহত্যা নাকি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড- তা নিয়ে এলাকায় চলছে নানা আলোচনা। তদন্ত শেষে প্রকৃত রহস্য উদঘাটন হবে বলে আশাবাদী পুলিশ।

  • January 11, 2026
  • 0 Comments
মানিকগঞ্জে সিজারিয়ান অপারেশনের পর প্রসূতির মৃত্যু, ভুল চিকিৎসার অভিযোগ

মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অবস্থিত বেসরকারি ডেল্টা জেনারেল হাসপাতালে সিজারিয়ান অপারেশনের পর নিপা ঘোষ (২১) নামে এক প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবার সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে ভুল চিকিৎসার অভিযোগ তুলেছেন।

রবিবার (১১ জানুয়ারি) সকাল আনুমানিক ৮টার দিকে সিজারিয়ান অপারেশনের সময় এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত নিপা ঘোষ মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার সিংজুরী ইউনিয়নের চক বাস্তা গ্রামের রিপন কুমার ঘোষের স্ত্রী।

নিহতের স্বামী রিপন কুমার ঘোষ অভিযোগ করে বলেন, “আমার স্ত্রী সম্পূর্ণ সুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হয়। গাইনি চিকিৎসক ডা. সঞ্চিতা অপারেশন করেন এবং অ্যানেস্থেসিয়া দেন ডা. আবু বক্কর সিদ্দিক। অপারেশনের পরপরই তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। তখন দ্রুত ঢাকা নেওয়ার কথা বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অ্যাম্বুলেন্স আনেন। কিন্তু পরে অবস্থা আরও খারাপ হলে মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়, সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।”

এ বিষয়ে অভিযুক্ত গাইনি চিকিৎসক ডা. সঞ্চিতার সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

ডেল্টা জেনারেল হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. জহির রায়হান আজরুলের সঙ্গে যোগাযোগ করতে গেলে তিনি হাসপাতাল ত্যাগ করেন বলে জানা যায়। ফলে এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এ প্রসঙ্গে মানিকগঞ্জের সিভিল সার্জন এ কে এম মোফাখখারুল ইসলাম বলেন, “ভুল চিকিৎসায় প্রসূতির মৃত্যুর বিষয়ে এখনো পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। মৌখিক অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করা সম্ভব নয়। তবে ভুক্তভোগী পরিবার লিখিত অভিযোগ দিলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

উল্লেখ্য, নিহত নিপা ঘোষের বাবা অল্প কিছুদিন আগেই মারা গেছেন। পরপর বাবা ও মেয়ের মৃত্যুর ঘটনায় পরিবার ও এলাকায় বইছে শোকের মাতম।

এদিকে, বেসরকারি হাসপাতালে অপচিকিৎসা নিয়ে জেলাজুড়ে নতুন করে তীব্র আলোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন— “আর কত প্রাণ গেলে বন্ধ হবে এই অপচিকিৎসা?”

  • January 11, 2026
  • 0 Comments
জমিজমা বিরোধে চাচাকে মারধর: মানিকগঞ্জে ভাতিজাসহ তিনজনের কারাদণ্ড

মানিকগঞ্জে পারিবারিক জমিজমা সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে চাচাকে মারধরের ঘটনায় ভাতিজাসহ তিনজনকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও এক হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত। অনাদায়ে তাদের আরও কারাভোগ করতে হবে।

রবিবার (১১ জানুয়ারি) দুপুরে মানিকগঞ্জ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিজ্ঞ হাকিম আল আসাদ মো. মাহমুদুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—ব্রজ গোপাল তরফদার, নবীন তরফদার এবং তাদের সহযোগী লোকমান। মামলার অপর আসামি নবীনের স্ত্রী কনক লতা রায়ের বিষয়ে আদালত পৃথক আদেশ প্রদান করেন।

মামলার নথি ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী নিরঞ্জন তরফদারের সঙ্গে অভিযুক্তদের দীর্ঘদিন ধরে জায়গা-জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। এরই ধারাবাহিকতায় ২০২১ সালের ২৩ আগস্ট সকাল সাড়ে ৯টার দিকে অভিযুক্তরা নিরঞ্জন তরফদারের জমি দখলের চেষ্টা চালায়। এ সময় নিরঞ্জন তরফদার, তার ছেলে ও স্ত্রী বাধা দিলে অভিযুক্তরা সংঘবদ্ধভাবে তাদের ওপর হামলা চালায়।

মারধরের ঘটনায় নিরঞ্জন তরফদার ও তার পরিবারের সদস্যরা গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

ঘটনার পরদিন, ২০২১ সালের ২৪ আগস্ট ভুক্তভোগীর ছেলে নীহার রঞ্জন তরফদার ঘিওর থানায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এই দণ্ডাদেশ প্রদান করেন।

রায়ের প্রতিক্রিয়ায় মামলার বাদী নীহার রঞ্জন তরফদার বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে আমরা ন্যায়বিচারের অপেক্ষায় ছিলাম। এই রায় প্রমাণ করেছে—আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়। এটি সমাজের জন্য একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।”

  • January 11, 2026
  • 0 Comments
পঞ্চগড়ের চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার দুই আসামি সিংগাইর থেকে গ্রেফতার

পঞ্চগড় জেলার সদর থানায় দায়েরকৃত দুটি হত্যা মামলার পলাতক আসামিকে মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলা থেকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৪। দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে থাকা এই দুই আসামিকে রবিবার (১১ জানুয়ারি) বিকেল পৌনে ৩টার দিকে সিংগাইর উপজেলার ধল্লা ইউনিয়নের বিন্নাডাঙ্গী এলাকা থেকে আটক করা হয়।

সিংগাইর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাজহারুল ইসলাম গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, পঞ্চগড় সদর থানার কায়েতপাড়া হাফিজাবাদ গ্রামের মৃত মোহাম্মদ আলীর ছেলে আব্দুর রশিদ (৩৫) এবং একই থানার দর্জিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা শাহিনুর ইসলাম (৪২)।

র‌্যাব সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ডিসেম্বর মাসে পঞ্চগড় সদর থানায় সংঘটিত একটি চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই তারা গ্রেফতার এড়াতে দেশের বিভিন্ন এলাকায় আত্মগোপনে ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাদের অবস্থান শনাক্ত করে র‌্যাব-৪ একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে এবং সফলভাবে তাদের আটক করে।

সিংগাইর থানার ওসি মো. মাজহারুল ইসলাম জানান, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

এই গ্রেফতারের ঘটনায় এলাকায় স্বস্তি ফিরেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

  • January 11, 2026
  • 0 Comments
অসুস্থ আবুল বাশার খানকে দেখতে হাসপাতালে আফরোজা খানম রিতা

জমির উদ্দিন খান ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও বিশিষ্ট সমাজসেবক জনাব আবুল বাশার খান (৭৫) বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তিনি জাতীয়তাবাদী মানিকগঞ্জ ওলামা দলের সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আশিকুর রহমান রাজুর পিতা।

তার অসুস্থতার খবর পেয়ে মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক এবং মানিকগঞ্জ-৩ আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী আফরোজা খানম রিতা সদর হাসপাতালে ছুটে যান। এসময় তিনি আবুল বাশার খানের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে খোঁজখবর নেন।

আফরোজা খানম রিতা আবুল বাশার খানের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন এবং মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপি পরিবারের পক্ষ থেকে তাঁর পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। পাশাপাশি তাঁর উন্নত চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে সর্বাত্মক উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন।

উল্লেখ্য, আবুল বাশার খান দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছেন। তাঁর অসুস্থতায় রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে উদ্বেগ ও সহমর্মিতা প্রকাশ পাচ্ছে।

  • January 8, 2026
  • 0 Comments
ঢাবির ৪ আওয়ামীপন্থি শিক্ষক ‘স্থায়ী বহিষ্কার’

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) আওয়ামীপন্থি চার শিক্ষককে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সুপারিশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেট।

সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, অভিযুক্ত চার শিক্ষককে এক সপ্তাহের মধ্যে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশের জবাব দিতে হবে। শোকজের সন্তোষজনক ব্যাখ্যা না দিলে তাদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঢাবির প্রক্টর অধ্যাপক সাইফুদ্দিন আহমদ বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “সিন্ডিকেট সভায় অভিযোগের ভিত্তিতে চার শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শোকজের জবাব পর্যালোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে।”

অভিযুক্ত চার শিক্ষক হলেন:

সমাজবিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর ড. সাদেকা হালিম

প্রফেসর ড. জিনাত হুদা

প্রফেসর ড. আ. ক. ম. জামাল উদ্দীন

প্রফেসর ড. মো. মশিউর রহমান

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে: জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের বিপক্ষে অবস্থান নেওয়া, আন্দোলন দমনে প্রশাসনকে সহযোগিতা করা এবং বিতর্কিত বক্তব্য ও কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকা।

সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, শিক্ষকদের কাছে পাঠানো হবে শোকজ নোটিশ, যাতে তারা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কেন বহিষ্কার করা হবে না তা ব্যাখ্যা করতে পারেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা না দিলে স্থায়ী বহিষ্কার কার্যকর হবে।

  • January 8, 2026
  • 0 Comments
২০২৬ সালের ৯ম-১০ম শ্রেণির ইংরেজি বইয়ে সমকামী এজেন্ডা

০২৬ সালের ৯ম-১০ম শ্রেণির নতুন পাঠ্যপুস্তকে মিলেছে এলজিবিটিকিউ এজেন্ডার দিশা। ‘English for Today’ বইয়ের একেবারে প্রথমেই Unit-1, ‘Sense of Self’-এর কিছু অংশে পরোক্ষভাবে এলজিবিটি পুশ করার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।

প্রথম পৃষ্ঠায় এলজিবিটি ব্যাকগ্রাউন্ডের একটি ছবি ব্যবহার করা হয়েছে,

এখানে ছবিটির সোর্স হিসেবে “Internet” লেখা রয়েছে। আমরা এই ছবিটি দিয়ে কী বোঝায় তা জানতে গুগলে অনুসন্ধান করি। রিভার্স সার্চে দেখা যায়, ছবিটি ২০২০ সালে ‘Recovery in the Bin’ নামক একটি ব্লগে একমাত্র হিসেবে প্রকাশিত হয়েছিলো, সেটা ছাড়া অন্য কোনো সোর্স পাওয়া যায় নি এই ছবির। এবং সেই ব্লগটি পুরোদস্তুর এলজিবিটি প্রোমোটিং সাইট, যে আর্টিকেলে প্রকাশ করা হয়েছিলো, সে আর্টিকেলটাও পুরোদস্তুর এলজিবিটি কামী।
এই আর্টিকেলের শিরোনামে “Sense of Self” কথাটি রয়েছে, সম্ভবত এখান থেকেই সমকামীদের ব্যবহৃত শব্দমালা অন্য আড়ালে নর্মা‌লাইজ করা হচ্ছে। সেই আর্টিকেলটির কিছু অংশেও বোঝা যাচ্ছে তার উদ্দেশ্য কীঃ
মনে হতে পারে পাঠ্যপুস্তকে ভুলবশত এই ছবি ব্যবহৃত হয়েছে, “Sense of Self” কীওয়ার্ড‌ সার্চে চলে এসেছে এই ছবি, আর এলজিবিটি সম্পর্কে কেউই জানে না বাংলাদেশের জাতীয় পাঠ্যপুস্তক লেখকরা। একটি বই একাধিক লেখক লিখেন, সম্পাদক প্যানেলে যায়, মানে মাল্টিস্টেপের পর সেটা সবার হাতে হাতে পৌঁছে যায়।

২০২৫ সালেও এই অংশটি পাঠ্যপুস্তকে ছিলো, তবে সাদাকালো প্রিন্ট হওয়াতে সেটা অনেকে খেয়াল করে নি। এ ধরনের ছবি স্বাভাবিকীকরণের মাধ্যমে এ ধরনের ছবি যারা মূলত ব্যবহার করে তাদেরকে স্বাভাবিক করা হয় আমাদের মাঝে। আমরা একটু দেখি এই চ্যাপ্টারে এলজিবিটিকিউ সম্পর্কিত কিছু বলা আছে কিনা। বইটির এই ইউনিটের Lesson-2 তে বিজাতীয় এক লেখিকার গল্প আনা হয়েছে।

লেখিকার নাম Jamaica Kincaid। এই লেখিকা পশ্চিমা ফেমিনিজম ও এলজিবিটির পক্ষ নিয়ে লেখার জন্য মশহুর। তার নিজের ভাই ছিলো সমকামী। সে সম্পর্কে ১৯৯৭ সালে “My Brother” নামে একটি বই প্রকাশ করেন তিনি। আমাদের পাঠ্যপুস্তকে ইনক্লুড করা “Girl” প্রবন্ধটিতে জেন্ডার রোল অস্বীকার করা হয়েছে, যা সেই পশ্চিমা এলজিবিটি এজেন্ডার প্রাথমিক ধাপ।

এই চ্যাপ্টারের শেষে অনুশীলনীর প্রশ্ন দেখে বোঝা যাচ্ছে আসলে কী বলে এখানে,

বলা হচ্ছে, কেউ নারী হয়ে জন্মায় না, জন্মানোর পর সে ‘নারী হয়’। এই উক্তিটি আবার ট্রান্সজেন্ডার মহলে সমাদৃত! রেডিটে ট্রান্সজেন্ডারদের গ্রুপে দেখুন তারা কী বলছে এটা নিয়ে,

আবার বলা হচ্ছে ‘Biological Attributes দিয়ে নারী পুরুষ মাপা’ লিঙ্গবৈষম্য তৈরি করে। এমনভাবে ফেমিনিজম ও এলজিবিটি মিক্স করা পুশ করা হচ্ছে পরোক্ষভাবে আমাদের প্রজন্মকে। এই ছোট ছোট বিষয়গুলো যখন তারা মগজে গেঁথে নেবে, তখন বাকি বিষয়গুলোও গাঁথা সহজ হয়ে যাবে।

জুলাইয়ের শহীদ আবরার মাসনুন নীলের বড় বোন যারিন তাসনিম গুনগুন আজ ৮ই জানুয়ারি ২০২৫ তারিখে বিষয়টি সর্বপ্রথম ফোকাসে নিয়ে আসেন। তিনি লিখেছেন,

এই বছরের ক্লাস ৯-১০ এর বই।
Unit 1: Lesson 2 এর প্রশ্নগুলো নিয়ে চিন্তা করে দেখুন।
লগবটক এর ফ্ল্যাগ কি চোখে পড়ে?
স্লো পয়জনের মতো সকামীতা কে নর্মালাইজ করার এজেন্ডা বাস্তবায়িত হয়ে যাচ্ছে আমার চোখের সামনে। ছোটদের বইয়ে সুকৌশলে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে এই মারাত্মক মানসিক বিকৃতি, যা বাচ্চাদের মনে “আইডেন্টিটি ক্রাইসিস” এর জন্ম দেয়। তাদের মনে সন্দেহের জন্ম দেয় যে – আসলেই শরীর আর মন এক নয়, একই সময়ে দুইটি আলাদা আইডেন্টিটি ও থাকা সম্ভব।
ইসলাম এবং মেডিক্যাল সাইন্স- এই দুই-ই অনুযায়ী মানুষ নারী বা পুরুষ হিসেবেই জন্মায় এবং এটিই তার চূড়ান্ত পরিচয়। এ ব্যতীত থাকতে পারে তৃতীয় লিঙ্গ/হিজড়া/ ইন্টারসেক্স মানুষ। আবারো বলছি, ট্রান্সজেন্ডার এবং ইন্টারসেক্স একই নয়। যারা জন্মগতভাবেই নারী বা পুরুষের তুলনায় কিছুটা ভিন্ন গড়নের হয় তারা ইন্টারসেক্স/ হিড়া। আর ট্রান্সজেন্ডার হলো একরকম মানসিক বিকৃতি, সার্জারীর মাধ্যমে জেন্ডার পরিবর্তন (বিকৃতি) করা।
যখনই শেখানো হয় যে কেউ নারী বা পুরুষ হয়ে জন্মায় না, বরং “হয়ে ওঠে”, তখনই পথ প্রশস্ত করা হয় এটা বলার যে – কেউ চাইলে নারী বা পুরুষের বাইরে অন্য কিছুও “হয়ে উঠতে” পারে। এভাবেই প্রচলিত পরিবার কাঠামো ভেঙ্গে যায় এবং সলিঙ্গের সম্পর্ককে স্বাভাবিক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা সহজ হয়ে যায়। কওমে লূতের কথা মনে আছে? তাদের মধ্যে সকামী*তা ও অন্যান্য ব্যভিচার বেড়ে যাওয়ার পরিণতি বর্ণিত আছে:-
​”তারপর যখন আমার আদেশ আসলো, তখন আমি জনপদটিকে উল্টে দিলাম এবং তার ওপর স্তরে স্তরে পোড়ামাটির পাথর বর্ষণ করলাম।” (​সূরা হূদ (১১:৮২-৮৩)
আপনার বাচ্চারা কি শিখছে সেদিকে লক্ষ্য রাখুন। এই ব্যধি একবার মস্তিষ্কে বাসা বাঁধলে সেখান থেকে ফেরানো প্রায় অসম্ভব হয়ে যায়।

পাঠ্যপুস্তকে এই অংশগুলো ঢোকানো হয়েছে ডঃ ইউনুস বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা হওয়ার পর। ২০২৫ সালে এবং ২০২৬ সালে। ডঃ ইউনুস ২০১৩ সালে সমকামীদের সমর্থনে বিবৃতি দেওয়ার কারণে বাংলাদেশে প্রচুর সমালোচিত হয়েছিলেন সেসময়।

  • January 8, 2026
  • 0 Comments
বিপাকে নুরুল হক নুর !

বিএনপির সঙ্গে জোট করে নির্বাচনে নামলেও আসন সমঝোতা বাস্তবায়ন নিয়ে বিপাকে পড়েছেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও সংসদ সদস্য প্রার্থী নুরুল হক নুর। কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিএনপি ওই আসনটি নুরকে ছেড়ে দিলেও স্থানীয় পর্যায়ে তীব্র বিরোধিতার মুখে পড়েছেন তিনি।

কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তে নুরকে আসন ছেড়ে দেওয়া হলেও বিরোধিতায় নামেন বিএনপি নেতা হাসান মামুন। স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করার ঘোষণা দেন। প্রয়োজনে দলীয় পদ ছাড়বেন বলে জানিয়েছেন। গত ২৮ ডিসেম্বর দেওয়া এক চিঠিতে দলের জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য পদ থেকে অব্যাহতি চান তিনি। চিঠি দেওয়ার পাশাপাশি ২৯ ডিসেম্বর দাখিল করেন মনোনয়ন। বিষয়টি নিয়ে তোলপাড় হলে ৩০ ডিসেম্বর তাকে বহিষ্কারের ঘোষণা দেয় বিএনপি। বহিষ্কার হওয়ার পরও মাঠ ছাড়েননি মামুন। সাথে আছেন দুই উপজেলার পদধারী প্রায় সব বিএনপি নেতা। শুধু উপজেলা কিংবা পৌরসভা নয়, ইউনিয়ন, ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতা-কর্মীরাও আছেন তার সাথে। বিষয়টি নিয়ে বিব্রত নুর এরই মধ্যে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিভিন্ন সভায়।
নুরুল হক নুর এবিষয়ে বলেন, ‘যুগপৎ আন্দোলনে যারা একসাথে ছিলাম তাদের মাত্র ১২টি আসন ছেড়েছে বিএনপি। যতদূর জানি মিত্রদের ছেড়ে দেওয়া কোনো আসনেই স্থানীয় বিএনপির পূর্ণ সহযোগিতা পাচ্ছে না জোট কিংবা সমমনা দলের প্রার্থীরা। আমার এখানে একান্ত নিজস্ব লোকজন দিয়ে সব কমিটি করেছেন হাসান মামুন। এরা দলের চেয়ে হাসান মামুনকে বেশি আপন মনে করেন। দলীয় সিদ্ধান্তের চেয়েও তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হাসান মামুনের সিদ্ধান্ত। যে কারণে কেন্দ্র বলা সত্ত্বেও তারা আমার পক্ষে কাজ করছে না। বিষয়টি আমি বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দকে জানিয়েছি। দুই উপজেলা বিএনপির সাবেক নেতা যারা আছেন তারা কিন্তু আমাকে ঠিকই সমর্থন দিচ্ছেন। বর্তমান নেতারা করছেন বিরোধিতা। এই সমস্যার সমাধান বিএনপিকেই করতে হবে। নয়তো বিএনপির প্রতি আস্থা হারাবে মিত্ররা। ভবিষ্যতে একসাথে পথচলার ক্ষেত্রে তৈরি হবে জটিলতা। আমার অবস্থান থেকে সার্বিক পরিস্থিতি জানানো হয়েছে বিএনপিকে। এখন তারা কী ব্যবস্থা নেয় সেটা দেখার অপেক্ষায় আছি।’

অন্যান্য