• September 6, 2025
  • 0 Comments
‘ভোট চোর, গদি চোর’ স্লোগানে উত্তাল দিল্লি, অজ্ঞান ২ এমপি

ভোটে কারচুপির অভিযোগে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের কার্যালয়ের অভিমুখে বিরোধীদলীয় প্রায় ৩০০ এমপির বিক্ষোভ মিছিল ঘিরে নাটকীয় পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। সোমবার সকালের দিকে দেশটির বিরোধী দল কংগ্রেসের জ্যেষ্ঠ নেতা রাহুল গান্ধী নেতৃত্বাধীন এই বিক্ষোভ মিছিলে বাধা দিয়েছে পুলিশ। পরে রাহুল গান্ধী ও তার বোন প্রিয়াঙ্কা গান্ধীসহ কয়েকজন বিরোধী দলীয় এমপিকে গ্রেপ্তার করেছে দিল্লি পুলিশ।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক দল তৃণমূল কংগ্রেসের অন্তত দু’জন এমপি চেতনা হারিয়ে পড়ে যান। পরে রাহুল গান্ধীসহ অন্যান্য এমপিরা তাদের সহায়তায় এগিয়ে আসেন এবং গাড়িতে তুলে হাসপাতালের উদ্দেশে পাঠিয়ে দেন।
দেশটির সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দিল্লিতে সংসদ ভবন এলাকা থেকে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশন অভিমুখী বিক্ষোভ মিছিল মাঝপথে থামিয়ে দেয় পুলিশ। এ সময় বিক্ষোভে অংশ নেওয়া বিরোধী দলীয় এমপি ও এসপি প্রধান অখিলেশ যাদবসহ কয়েকজন পুলিশের ব্যারিকেড টপকে সামনে যাওয়ার চেষ্টা করেন।
সরকারের বিরুদ্ধে ‘ভোট চোর, গদি চোর-সহ’ বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দেন বিক্ষোভকারীরা। এসময় পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি ও অবস্থান ধর্মঘটের মাঝেই তৃণমূল কংগ্রেসের দুই এমপি মহুয়া মৈত্র ও মিতালি বাগ অজ্ঞান হয়ে পড়েন। বিক্ষোভে অংশ নেওয়া এমপিরা পানি ও প্রাথমিক চিকিৎসার মাধ্যমে তাদের সুস্থ করার চেষ্টা করেন। পরে মিতালি বাগকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
দিল্লিতে এই বিক্ষোভে অংশ নেওয়া লোকসভার বিরোধী দলের নেতা রাহুল গান্ধী ও তার বোন প্রিয়াঙ্কা গান্ধীসহ কয়েকজন এমপিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে ও দলটির অন্যতম নেতা জয়রাম রমেশসহ আরও কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

ইন্ডিয়া টুডে বলেছে, মিছিলটি সংসদ ভবনের কাছ থেকে শুরু হয়ে নির্বাচন কমিশনের সদরদপ্তর ‘নির্বাচন সদন’র দিকে যাচ্ছিল। এ সময় বিক্ষোভকারীদের হাতে ‘এসআইআর: গণতান্ত্রিক অধিকার চুরি’ এবং ‘ভোট চুরি’ লেখা পোস্টার দেখা যায়। তারা সরকার ও নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে স্লোগান দেন। মাঝপথে থামিয়ে দেওয়া হলে এমপিরা রাস্তায় বসে অবস্থান ধর্মঘট শুরু করেন।

গ্রেপ্তারের পর রাহুল গান্ধী বলেন, এই লড়াই রাজনৈতিক নয়, সংবিধান রক্ষার জন্য। তিনি বলেন, সত্য পুরো দেশের সামনে। কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে বলেন, জনগণের ভোটাধিকারের সুরক্ষার জন্য গণতান্ত্রিক অধিকার চুরির বিরুদ্ধে এই লড়াই চলবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, বিজেপির কাপুরুষোচিত একনায়কতন্ত্র আর চলবে না!

  • September 5, 2025
  • 0 Comments
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবি ৪০ রাজনৈতিক দলের নেতাদের

গণ অধিকার পরিষদ আয়োজিত সংহতি সমাবেশে ৪০টিরও বেশি রাজনৈতিক দল একাত্ম হয়ে জাতীয় পার্টির (জাপা) রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি জানিয়েছে।

গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের ওপর হামলার ঘটনায় হামলাকারীদের বিচার, জাপা ও ১৪ দলের রাজনীতি নিষিদ্ধ এবং স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগ দাবিতে শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর শাহবাগে আয়োজিত হয় এ সমাবেশ।

এতে বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি, ইসলামী আন্দোলন, জেএসডি, বিপ্লবী ওয়ার্কাস পার্টি, গণসংহতি আন্দোলন, এবি পার্টি, খেলাফত মজলিসসহ ফ্যাসিবাদ বিরোধী ৪০টির বেশি রাজনৈতিক দল সংহতি জানায়।

অবিলম্বে জাতীয় পার্টিসহ ১৪ দলীয় জোটকে নিষিদ্ধের জোর দাবি জানিয়ে নেতারা বলেন, আওয়ামী লীগ দেশের গণতন্ত্রকে ধ্বংস করেছে। তাদের দোসর জাতীয় পার্টিসহ ১৪ দলীয় জোট শেখ হাসিনাকে স্বৈরাচার হতে সহযোগিতা করেছে। ফ্যাসিবাদ ফেরাতে জাতীয় পার্টি মাথা চাড়া দিয়ে উঠছে, এত অপরাধের পরেও এখন দেশকে অস্থির করতে নানাভাবে ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। অবিলম্বে আওয়ামী লীগের দোসর ও ভারতীয় এজেন্ট জাতীয় পার্টিকে নিষিদ্ধ করতে হবে। ১৪ দলীয় জোটকে নিষিদ্ধ করতে হবে।

সমাবেশ শেষে নুরুল হক নুরের ওপর হামলাকারীদের চিহ্নিত করে দ্রুত বিচারসহ ৩ দফা দাবি আদায়ে শপথ নেন সমাবেশে অংশগ্রহণকারীরা।

এদিকে, কাকরাইলে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ৮ দিনের মাথায় আবারও আক্রান্ত। শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে মিছিল নিয়ে হামলা চালায় একদল লোক। ভাঙচুরের পর আগুন ধরিয়ে দেন তারা।

হামলার সময় প্রধান কার্যালয়ে ঈদে মিলাদুন্নবীর কর্মসূচি বিষয়ে প্রস্তুতি সভা করছিলেন জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা। হঠাৎ আক্রমণে ছোটাছুটি শুরু করেন তারা। পরে পুলিশ এসে জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে হামলাকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দিলেও কাকরাইলে থমথমে পরিস্থিতি তৈরি হয়। বন্ধ হয়ে যায় যান চলাচল। এই ঘটনার জন্য গণ অধিকার পরিষদকে দায়ী করেছে জাতীয় পার্টি।

  • September 5, 2025
  • 0 Comments
নুরাল পাগলার মরদেহে আগুন দেওয়ার ঘটনায় সরকারের বিবৃতি

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে নুরুল হক ওরফে নুরাল পাগলার কবর অবমাননা এবং মরদেহে আগুন দেওয়ার ঘটনায়ে তীব্র নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। 
শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ নিন্দা জানানো হয়।
এতে বলা হয়, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গোয়ালন্দে নুরুল হক মোল্লা, যিনি নুরাল পাগলা নামেও পরিচিত, তার কবর অবমাননা ও মরদেহে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানায়। 
‘এই অমানবিক ও ঘৃণ্য কাজটি আমাদের মূল্যবোধ, আমাদের আইন এবং একটি ন্যায়ভিত্তিক ও সভ্য সমাজের মৌলিক ভিত্তির ওপর সরাসরি আঘাত। এই ধরনের বর্বরতা কোনো অবস্থাতেই সহ্য করা হবে না। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আইনের শাসন সমুন্নত রাখতে এবং প্রতিটি মানুষের জীবনের পবিত্রতা, জীবদ্দশায় এবং মৃত্যুর পরেও রক্ষা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আমরা জনগণকে আশ্বস্ত করছি যে, এই জঘন্য অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করা হবে এবং আইনের সর্বোচ্চ প্রয়োগের মাধ্যমে বিচারের আওতায় আনা হবে। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী জবাবদিহিতার ঊর্ধ্বে নয়। যারা এই ঘৃণ্য কাজের সঙ্গে যুক্ত, তাদের উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করতে দ্রুত ও কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

‘আমরা দেশের প্রতিটি নাগরিকের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, ঘৃণা ও সহিংসতাকে দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করুন, সহিংসতার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হোন এবং ন্যায়বিচার ও মানবতার আদর্শকে সমুন্নত রাখতে সম্মিলিত প্রচেষ্টা গড়ে তুলুন।’

  • September 5, 2025
  • 0 Comments
ঝটিকা মিছিল ও নাশকতার পরিকল্পনা :আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্যসহ ৮ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

রাজধানীতে ঝটিকা মিছিলসহ নাশকতার পরিকল্পনায় জড়িত অভিযোগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য সাদ্দাম হোসেন পাভেল এবং দলটির অঙ্গসংগঠনের আরও সাত নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। বৃহস্পতিবার রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। শুক্রবার ডিএমপির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- নীলফামারী-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সাদ্দাম হোসেন, পটুয়াখালী জেলার বাউফল উপজেলা শাখার ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. তানজিল হোসেন ওরফে অভি, ছাত্রলীগের বাউফল উপজেলা শাখার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও বর্তমানে বঙ্গবন্ধু কল্যাণ পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক এ কে এম খোরশেদ আলম, বাউফল উপজেলার সূর্যমণি ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আনিসুর রহমান হাওলাদার, বংশাল থানার ৩২ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের মো. দেলোয়ার হোসেন ওরফে বাবলু, উত্তরা পূর্ব থানার ১ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আল মামুন ভূঁইয়া, যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী সদস্য মো. কায়কোবাদ ওসমানী এবং মুন্সিগঞ্জের লৌহজং থানার খিতিপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মো. আনোয়ার হোসেন।
ডিএমপির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গ্রেপ্তার সাবেক সংসদ সদস্য সাদ্দাম আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিলের পাশাপাশি নাশকতার পরিকল্পনা ও অর্থের জোগান দিতেন। বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাদ্দাম হোসেনকে গ্রেপ্তার করে ডিবি-সাইবার বিভাগের একটি দল। একই দিন সন্ধ্যায় ডিবি মতিঝিল বিভাগের একটি দল সবুজবাগ থানার মানিকদিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তানজিল হোসেন ও আনিসুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে। এরপর রাতে ডিবি মতিঝিলে বিভাগের একটি দল পান্থপথ এলাকায় অভিযান চালিয়ে এ কে এম খোরশেদ আলমকে গ্রেপ্তার করে। এর আগে সন্ধ্যায় ডিবি লালবাগ বিভাগের একটি দল রাজধানীর নয়াবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে দোলোয়ার হোসেন ওরফে বাবলুকে গ্রেপ্তার করে। তার আগে বিকেলে পুরান ঢাকার কোতোয়ালি থানার পুলিশ প্রেসক্লাবের সামনে অভিযান চালিয়ে আল মামুন ভূঁইয়াকে গ্রেপ্তার করে। পরে মধ্যরাতে ডিবি সাইবার বিভাগের একটি দল মালিবাগ চৌধুরীপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে কায়কোবাদ ওসমানীকে গ্রেপ্তার করে। মধ্যরাতে ডিবি মতিঝিল বিভাগের একটি দল কাকরাইল এলাকায় অভিযান চালিয়ে আনোয়ার হোসেনকে গ্রেপ্তার করে। ডিএমপি আরও জানায়, গ্রেপ্তার সবার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগে বিভিন্ন থানায় মামলা রয়েছে। তারা সংঘবদ্ধ হয়ে আইনশৃঙ্খলা বিনষ্টের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করাসহ রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ঝটিকা মিছিল করার মাধ্যমে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টির অপচেষ্টায় লিপ্ত ছিল।

  • September 5, 2025
  • 0 Comments
বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো লতিফ ও কাদের সিদ্দিকীর ভাইকে

সাবেক সংসদ সদস্য লতিফ সিদ্দিকী ও কাদের সিদ্দিকীর ছোট ভাই এসএম সিদ্দিকীকে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হয়েছে। থাইল্যান্ডগামী ফ্লাইটে ওঠার কথা ছিল তাঁর। আজ শুক্রবার সকালে এ ঘটনা ঘটে।

বিমানবন্দর ইমিগ্রেশন সূত্রে জানা গেছে, এসএম সিদ্দিকীর সঙ্গে তাঁর স্ত্রীও ছিলেন। তবে ঠিক কী কারণে তাঁকে আটকে দেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

এসএম সিদ্দিকী টাঙ্গাইলের কালিহাতি উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান।

সন্ত্রাস বিরোধী আইনের মামলায় আওয়ামী লীগের সাবেক নেতা লতিফ সিদ্দিকী বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।

মামলায় বলা হয়েছে, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস মুছে ফেলার গভীর ষড়যন্ত্র ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতি বন্ধের লক্ষ্যে গত ৫ অগাস্ট ‘মঞ্চ ৭১’ নামে একটি সংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘটে। এ সংগঠনের উদ্দেশ্য জাতির অর্জনকে মুছে ফেলার সব ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে বাংলাদেশের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আত্মত্যাগের প্রস্তুতি নেওয়া। প্রস্তুতির অংশ হিসেবে গত ২৮ অগাস্ট সকাল ১০টায় একটি গোল টেবিল বৈঠকের আয়োজন করা হয়।

সেগুনবাগিচায় বেলা ১১টায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) অনুষ্ঠান শুরু হয়। এর মধ্যেই এক দল ব্যক্তি হট্টগোল করে স্লোগান দিয়ে সভাস্থলে ঢুকে পড়েন। একপর্যায়ে তারা অনুষ্ঠানস্থলের দরজা বন্ধ করে দেন। অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া কয়েকজনকে লাঞ্ছিত করেন। হট্টগোলকারীরা গোলটেবিল আলোচনার ব্যানার ছিঁড়ে ফেলেন এবং আলোচনায় অংশ নেওয়াদের অবরুদ্ধ করে রাখেন।

একপর্যায়ে অতিথিদের অনেককেই বের করে দেওয়া হলেও আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী এবং অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমানকে অবরুদ্ধ করে রাখেন তারা। পরে পুলিশ এসে ১৬ জনকে আটক করে। এ ঘটনায় শুক্রবার রাজধানীর শাহবাগ থানায় সন্ত্রাস বিরোধী আইনে মামলা করেন এসআই আমিরুল ইসলাম। পরবর্তীতে এ মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

লতিফ সিদ্দিকী ও পান্না ছাড়া বাকি ১৪ জন হলেন— ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান (কার্জন), কাজী এ টি এম আনিসুর রহমান বুলবুল, গোলাম মোস্তফা, মো. মহিউল ইসলাম ওরফে বাবু, মো. জাকির হোসেন, মো. আব্দুল্লাহ আল আমিন, মো. তৌছিফুল বারী খান, মো. আমির হোসেন সুমন, মো. আল আমিন, মো. নাজমুল আহসান, সৈয়দ শাহেদ হাসান, মো. শফিকুল ইসলাম দেলোয়ার, দেওয়ান মোহম্মদ আলী, মো. আব্দুল্লাহীল কাইয়ুম।

  • September 5, 2025
  • 0 Comments
‘তোমরা হাতাহাতি করবা আর ভোট করে দিবো আমি, মামার বাড়ির আবদার’

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সালেহ হাসান নকীব বলেছেন, ‘তোমরা তালা দিবা, তোমরা হাতাহাতি করবা, আর তোমাদের ইলেকশন আমাকে করে দিতে হবে। মামার বাড়ির আবদার।’ যদি রাকসু নির্বাচনে ছাত্রসূলভ আচরণ না প্রকাশ করা হয় তাহলে সেটা শিক্ষার্থীদের অযোগ্যতা বলেও মন্তব্য করেন রাবি উপাচার্য।

বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আসন্ন রাকসু নির্বাচন নিয়ে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

উপাচার্য বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোনো কিছু হলে সেটা রাকসু নির্বাচনের ওপর প্রভাব পড়তে পারে। এ জন্য সবাইকে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে।

রাকসুর নির্বাচন কমিশনারসহ অন্যদের প্রশংসা করে তিনি বলেন, আমি আমার নির্বাচন কমিশনের প্রশংসা করছি। ওই দিন (রোববার) যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল এবং তাদের সম্পর্কে যে কথাবার্তা এসেছিল, যে ভাষায় স্লোগান দেওয়া হচ্ছিল, যারা আছেন তাদের প্রশংসা করি। তারা প্রত্যেকে উচ্চ নৈতিকতার মানুষ এবং অসম্ভব আত্মসম্মানবোধ আছে তা]দের। শুধু বিশ্ববিদ্যালয় ও ছাত্রছাত্রীদের কথা ভেবে ওনারা দায়িত্ব ছেড়ে দেননি। কিছু শিক্ষক আছেন, এই জঘন্য কথাবার্তা ও জঘন্য পরিস্থিতি সৃষ্টি করার পরেও জায়গা থেকে পিছিয়ে যাচ্ছেন না। আমাদেরও সুযোগ ছিল। তোমরা তালা দিবা, তোমরা হাতাহাতি করবা, আর তোমাদের ইলেকশন আমাকে করে দিতে হবে। মামার বাড়ির আবদার।

অধ্যাপক সালেহ হাসান নকীব বলেন, যদি ছাত্রসুলভ আচরণ ও নিয়মকানুনের ভেতরে তোমরা থাকতে না পারো, তোমরা নিজেদের রাকসুর অযোগ্য বলে প্রমাণ করছ। তোমাদের যোগ্যতার পরিচয় তোমরা দেবে না, আমি সালেহ হাসান নকীব দেব? ছাত্রদের দায়িত্ব নিতে হবে। প্রক্টরিয়াল বডি সব সময় কাজ করেছে এবং সংযম দেখিয়েছে। কোনো ড্রাস্টিক ব্যবস্থা নেয়নি বলেই আজ আমরা এই জায়গায় আছি। কাজেই আমি মনে করি না, তাদের তরফ থেকে কোনো সমস্যা ছিল। যাদের সমস্যা ছিল, আলাপটা তাদের নিয়ে করা উচিত।

রাকসু নির্বাচনে সেনা মোতায়ন–সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে উপাচার্য বলেন, আমি নিজে খুশি হতাম, যদি সম্পূর্ণ আমাদের সামর্থ্য ও আমাদের ভেতরে যে সৌন্দর্য আছে, সেটা দিয়েই রাকসু নির্বাচন হয়ে যেত। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক এখানে অনেক কিছু চিন্তা করতে হয়। আমি পার্সোনালি মনে করি, এ ধরনের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে যদি সেনাবাহিনী পর্যন্ত চলে আসে, তাহলে এইটা আমাদের ছাত্রসমাজসহ সবার জন্য একটা কষ্টকর ব্যাপার।

প্রসঙ্গত, প্রথম বর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির দাবি জানিয়ে গত রোববার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে রাকসু কোষাধ্যক্ষের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন ছাত্রদলের নেতা–কর্মীরা। একপর্যায়ে কার্যালয়ের একটি চেয়ার ভাঙচুর ও একটি টেবিল উল্টে দিয়ে ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন তারা। তখন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক সালাউদ্দিন আম্মারসহ কয়েকজন শিক্ষার্থী মনোনয়নপত্র তুলতে গেলে তাদের ঘিরে ধরেন ছাত্রদলের কর্মীরা। দুপুরের দিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আরও কয়েকজন সাবেক সমন্বয়কের নেতৃত্বে একদল শিক্ষার্থী ঘটনাস্থলে আসেন।

পরে ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতা–কর্মীরা ছাত্রদলের বিরুদ্ধে স্লোগান দিয়ে সেখানে যান। এতে কয়েক দফা ধস্তাধস্তি হয়। একপর্যায়ে শিক্ষার্থীরা রাকসু ভবনের ফটকের তালা ভেঙে ফেলেন। চার ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর বেলা দুইটার দিকে মনোনয়নপত্র বিতরণ শুরু হয়। পরে মনোনয়নপত্র বিতরণের সময় এক দিন বাড়ানো হয়।

  • September 5, 2025
  • 0 Comments
জুলাই সনদ : আগামী সপ্তাহে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বসবে কমিশন

রাজনৈতিক দলগুলোর মতামতের ভিত্তিতে ‘জুলাই জাতীয় সনদ-২০২৫’ চূড়ান্ত করেছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। কমিশন ওই সনদের আইনি পরামর্শ গ্রহণে আগামী সপ্তাহে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক বৈঠক করবে। এরপর চূড়ান্ত মতামতের জন্য তা রাজনৈতিক দলগুলোকে পাঠানো হবে।

বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদ ভবনস্থ ঐকমত্য কমিশনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ।

প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (ঐকমত্য কমিশন) মনির হায়দারের সঞ্চালনায় বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কমিশনের সদস্য ড. বদিউল আলম মজুমদার, বিচারপতি মো. এমদাদুল হক, সফর রাজ হোসেন ও ড. মো. আইয়ুব মিয়া।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, কমিশন বৈঠকে জাতীয় সনদের চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়া এবং তা বাস্তবায়নের সম্ভাব্য উপায় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সভায় আগের দিন শুরু হওয়া আলোচনা অব্যাহত রেখে রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকে প্রাপ্ত মতামত ও পরামর্শসমূহ বিশ্লেষণ করা হয়। এ সময় সনদের ভাষাগত যথার্থতাও পুনর্মূল্যায়ন করা হয়।

রাজনৈতিক দলগুলোর মতামত পর্যালোচনার ভিত্তিতে আগামী সপ্তাহেই বিশেষজ্ঞগণের সাথে আলোচনায় বসার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শের ভিত্তিতে চূড়ান্তকৃত সনদ ও বাস্তবায়নের উপায় সম্পর্কিত সুপারিশ একসঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে পাঠানোর বিষয়ে একমত প্রকাশ করেন কমিশনের সদস্যরা।

উল্লেখ্য, জাতীয় সনদ চূড়ান্ত করতে ইতিমধ্যে ২৮টি রাজনৈতিক দলের সাথে অনানুষ্ঠানিকভাবে সভা করেছে ঐকমত্য কমিশন। এই প্রক্রিয়ায় কমিশন রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে সনদ বাস্তবায়নের পদ্ধতি ও প্রক্রিয়া সম্পর্কে মতামত আহ্বান করে এবং ২৬টি দলের পক্ষ থেকে মতামত পাওয়া যায়।

চূড়ান্ত খসড়াতেও সনদের তিনটি ভাগ রয়েছে। প্রথম ভাগে সনদের পটভূমি, দ্বিতীয় ভাগে ঐকমত্য ও সিদ্ধান্ত হওয়া প্রস্তাব এবং তৃতীয় ভাগে থাকবে সনদ বাস্তবায়নের অঙ্গীকারনামা।

তবে সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়নের পদ্ধতি কী হবে, তা জুলাই সনদে উল্লেখ থাকবে না। আলাদাভাবে এ সংক্রান্ত প্রস্তাব সরকারের কাছে পাঠানো হবে বলে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গত ১২ ফেব্রুয়ারি গঠিত সাত সদস্যবিশিষ্ট জাতীয় ঐকমত্য কমিশন ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যক্রম শুরু করে।

ছয় মাস মেয়াদ শেষে কমিশনের মেয়াদ আরো এক মাস বাড়ানো হয়। আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর কমিশনের বর্ধিত মেয়াদ শেষ হবে।

  • September 4, 2025
  • 0 Comments
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ: চূড়ান্ত আসনসীমা ঘোষণা, পরিবর্তন হলো ৩৭ আসনে

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে ৩০০ সংসদীয় আসনের পুনর্নির্ধারিত সীমানার চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) ইসি সচিব আখতার আহমেদ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দাবি, আপত্তি, সুপারিশ ও মতামতের ভিত্তিতে অনুষ্ঠিত শুনানি শেষে কমিশন প্রয়োজনীয় সংশোধন করে প্রাথমিক তালিকায় পরিবর্তন আনে এবং ৩৭টি আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণ করে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করে।

এবারের পরিবর্তনে গাজীপুরে একটি আসন বাড়িয়ে মোট ৬টি আসন রাখা হয়েছে, অন্যদিকে বাগেরহাটে একটি আসন কমিয়ে ৩টি করা হয়েছে। এছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ থেকে বিজয়নগর উপজেলাকে বাদ দিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ এ সংযুক্ত করা হয়েছে।

ইসি সচিব আরও জানান, প্রকাশিত চূড়ান্ত আসনসীমার ভিত্তিতেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

  • September 4, 2025
  • 0 Comments
শেখ হাসিনা ও জয়ের বিরুদ্ধে রেড অ্যালার্ট জারির জন্য দুদকের চিঠি

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের বিরুদ্ধে রেড অ্যালার্ট জারির পদক্ষেপ নিতে পুলিশ হেড কোয়ার্টারে চিঠি পাঠিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) প্লট জালিয়াতির অভিযোগে দায়েরকৃত মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তারা এই চিঠি পাঠান।

চিঠিতে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনা ও তার ছেলে বিদেশে পালিয়ে গেছেন। ন্যায় বিচারের স্বার্থে আসামির অবস্থান চিহ্নিত করে দেশে ফিরিয়ে এনে আইনের মুখোমুখি করতে আদালত ওয়ারেন্ট ইস্যু করেছেন।

এদিকে, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) প্লট বরাদ্দে জালিয়াতির অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার বোন শেখ রেহানা ও বোনের মেয়ে টিউলিপ সিদ্দিক, আজমিনা সিদ্দিকসহ অন্য আসামিদের বিরুদ্ধে পৃথক তিন মামলায় তৃতীয় দিনের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে আজ।

বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে ঢাকার চতুর্থ বিশেষ জজ আদালতে সাক্ষ্যগ্রহণটি অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে, মামলায় জব্দতালিকার ৪৪টি নথির বিষয়ে সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়।

  • September 4, 2025
  • 0 Comments
প্রাথমিকে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ গণমানুষের প্রাণের দাবি: শায়খ আহমাদুল্লাহ

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিশেষায়িত ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হোক- এটা বহুকাল ধরে গণমানুষের প্রাণের দাবি ছিল বলে উল্লেখ করেছেন আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ।

বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেয়া এক পোস্টে তিনি এ বিষয়ে কথা বলেন।

শায়খ আহমাদুল্লাহ ফেসবুকে লেখেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিশেষায়িত ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হোক, এটা বহুকাল ধরে গণমানুষের প্রাণের দাবি ছিল। সেই দাবি আজও বাস্তবায়িত হয়নি। অথচ প্রাথমিকে গানের শিক্ষক নিয়োগের বিষয়ে সরকার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। এই দেশে কত পার্সেন্ট মানুষ সন্তানকে গান শেখায়? কত পার্সেন্ট মানুষ স্কুলে গানের শিক্ষক চায়? বরং অধিকাংশ অভিভাবক চায়, বিদ্যালয়ে যেন তাদের সন্তানকে গান শেখানো না হয়।

আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান লেখেন,

এ দেশের প্রায় সব অভিভাবক সন্তানের জন্য প্রাইভেট ধর্মীয় শিক্ষক রাখেন কিংবা সন্তানকে মক্তবে পাঠান। সরকার যদি স্কুলে বিশেষায়িত ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দিত, তাহলে অভিভাবকদের এই বাড়তি খরচ ও ঝামেলা পোহাতে হতো না। শিক্ষার্থীদেরও সময় বেঁচে যেত।

তিনি আরও লেখেন, প্রাথমিক শিক্ষার পেছনে রাষ্ট্র প্রতি মাসে শত শত নয়; বরং হাজার কোটি টাকা ব্যয় করছে। অথচ শিক্ষার মান দিন দিন অবনতির দিকে যাচ্ছে। একদিকে অভিভাবকদের আস্থা হারাচ্ছে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো, অপরদিকে কিশোর গ্যাংয়ের মতো ভয়াবহ অপরাধ দিন দিন আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে।

শায়খ আহমাদুল্লাহ লেখেন, এমতাবস্থায় প্রয়োজন শিক্ষার মান উন্নয়ন এবং নৈতিক শিক্ষার প্রতি গুরুত্বারোপ। সেটা না করে কাদের খুশি করার জন্য গানের শিক্ষক নিয়োগে প্রজ্ঞাপন জারি করা হলো?

তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে লেখেন,

সরকারের প্রতি আমাদের উদাত্ত আহ্বান গণ-আকাঙ্ক্ষা উপেক্ষা করে বাইরে থেকে আমদানি করা কালচার চাপিয়ে দেয়ার চিরাচরিত পথ পরিহার করুন। দেশের মানুষ এসবের পরিবর্তন চায়।

মন্তব্যের ঘরে তিনি লেখেন, প্রজ্ঞাপনে তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদের জন্য শিক্ষকতায় বিশেষ কোটা রাখা হয়েছে। মেডিকেল টেস্টে প্রমাণিত হিজড়া বা জন্মগত লিঙ্গ প্রতিবন্ধীদের বিষয়ে কারো আপত্তি থাকার কথা না। কিন্তু কোটা চালু করে ‘তৃতীয় লিঙ্গ’ শব্দের মারপ্যাঁচে কওমে লুতের অনুসারীদের শিক্ষকতায় ঢোকানো হতে পারে বলে আমরা উদ্বিগ্ন। এটা দেশ ও জাতির সাথে যুদ্ধের শামিল। এই ধরনের বিকৃত মানসিকতার লোকেরা যদি কোমলমতি শিক্ষার্থীদের শিক্ষক হয়, তবে সেই শিক্ষা-ব্যবস্থার পতন ঘণ্টা বাজতে বেশি দেরি হবে না।

অন্যান্য