• October 9, 2025
  • 0 Comments
এবার শেখ হাসিনার মুখ চেপে ধরল ভারত !

গণঅভ্যুত্থানের মুখে দেশ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৪ মাস ধরে ভারতে অবস্থান করছেন। এই সময় তিনি একাধিকবার বাংলাদেশ নিয়ে মন্তব্য করেছেন, যা স্থানীয় রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে উসকানিমূলক হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। তবে এবার ভারতের পক্ষ থেকে তার এই স্বাধীনতায় সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হয়েছে।

দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক বিশেষজ্ঞ শ্রী রাধা দত্তের বরাত দিয়ে সিনিয়র সাংবাদিক মোস্তফা ফিরোজ জানিয়েছেন, ভারতের এই উদ্যোগ মূলত বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের স্বার্থে নেওয়া হয়েছে। ভারত সরকার সরাসরি জানিয়েছে, শেখ হাসিনা আর ভারতের মাটিতে বসে বাংলাদেশ নিয়ে কোনো উসকানিমূলক মন্তব্য করতে পারবেন না। যদি তিনি তা করেন, তবে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক কখনোই উন্নত হবে না।

সম্প্রতি তাঁর ইউটিউব চ্যানেলে সাংবাদিক মোস্তফা ফিরোজ জানিয়েছেন, ভারতে শেখ হাসিনার জামাই আদর বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। তাকে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ নিয়ে কোনো বক্তব্য দিতে পারবেন না। এই নির্দেশনা ভারতের সরকারের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে, যাতে আগামী নির্বাচন পরবর্তী সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নত রাখা যায়।

২০২৫ সালের জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে ভারতের এই পদক্ষেপকে গুরুত্বপূর্ণ বলা হচ্ছে। আসন্ন নির্বাচনে ক্ষমতায় বিএনপি বা জামায়াত আসার সম্ভাবনা থাকায় ভারত চায়, যে-ই নির্বাচিত হোক না কেন, বাংলাদেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় থাকবে। মোস্তফা ফিরোজের মতে, ‘ভারত সরকার নিশ্চিতভাবে জানে যে আগামী সরকার হবে বিএনপি অথবা জামায়াত। দুই সরকারের যে-ই নির্বাচিত হোক না কেন, তাদের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার প্রস্তুতি নিচ্ছে ভারত।

তবে নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ এবং রাজনৈতিক আলোচনায় অংশগ্রহণ শেখ হাসিনার জন্য সীমাবদ্ধ নয়। তিনি এখনও ভারতে থেকে নিজের রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবেন। তবে বাংলাদেশ নিয়ে কোনো উসকানিমূলক বক্তব্য দিলে তা সম্পর্কের জন্য ক্ষতিকর হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতের এই পদক্ষেপ দুই দেশের সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার চেষ্টা। আগামী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়তে পারে। সেক্ষেত্রে এই ধরনের নির্দেশনা দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার একটি কৌশল।

এই সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহল ও বিশ্লেষকরা বলছেন, ভারতের মূল উদ্দেশ্য বাংলাদেশে ক্ষমতায় যেকোনো সরকারের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা, যাতে দক্ষিণ এশিয়ার স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা যায়।

এভাবে, ১৪ মাস ধরে ভারতে থাকা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বাধীনতায় ভারতের সীমাবদ্ধতা আরোপিত হয়েছে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক বিষয়ে তিনি আর সরাসরি মন্তব্য করতে পারবে না।

  • September 9, 2025
  • 0 Comments
এবারও দুর্গাপূজায় বাংলাদেশের ইলিশ পাচ্ছে ভারতীয়রা

ছয় বছর ধরে দুর্গাপূজার আগে ভারতে ইলিশ মাছ রপ্তানি করে আসছে বাংলাদেশ। এবারও এ উপলক্ষ্য সামনে রেখে ভারতে এক হাজার ২০০ টন ইলিশ মাছ রপ্তানির জন্য সরকার নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর শুরু হবে দুর্গাপূজা। তার আগে বাংলাদেশের ইলিশ পাচ্ছেন ভারতীয়রা।

সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপসচিব এস এইচ এম মাগফুরুল হাসান আব্বাসী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ২০১৫ সালের ৬ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত জাতীয় রপ্তানি নীতিতে (২০১৫-১৮) ইলিশ মাছ শর্তসাপেক্ষে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের তালিকায় রাখা হয়। পরের দুটি রপ্তানি নীতিতেও তা একই রকম রাখা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, প্রতিবছরের ন্যায় চলতি ২০২৫ সালে দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে ১২০০ মেট্রিক টন ইলিশ ভারতে শর্তসাপেক্ষে রপ্তানির জন্য সরকার নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। সে আলোকে আগ্রহী রপ্তানিকারকদের কাছ থেকে আগামী ১১ সেপ্টেম্বর অফিস চলাকালীন সময়ের মধ্যে (বিকেল ৫টা পর্যন্ত) হার্ড কপিতে আবেদন আহ্বান করা যাচ্ছে।

এতে আরও বলা হয়েছে, আবেদনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের হালনাগাদ ট্রেড লাইসেন্স, ইআরসি, আয়কর সার্টিফিকেট, ভ্যাট সার্টিফিকেট, বিক্রয় চুক্তিপত্র, মৎস্য অধিদপ্তরের লাইসেন্সসহ সংশ্লিষ্ট দলিলাদি দাখিল করতে হবে। প্রতি কেজি ইলিশের ন্যূনতম রপ্তানি মূল্য ১২.৫ মার্কিন ডলার সরকার কর্তৃক নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ ছাড়া ইতোমধ্যে যারা আহ্বান ব্যতিরেকেই আবেদন করেছেন, তাদেরও নতুনভাবে আবেদন দাখিল করতে হবে। উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে প্রয়োজনীয় কার্যার্থে ও অবগতির জন্য এ বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে বলে জানানো হয়।

জানা গেছে, ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বাংলাদেশের ইলিশ মাছ নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ রয়েছে। গত পাঁচ বছরের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, বাংলাদেশ থেকে যে পরিমাণ ইলিশ রপ্তানি হয়েছে তা মোট উৎপাদনের মাত্র শূন্য দশমিক ২৯ শতাংশ। এ ছাড়া সরকার যে পরিমাণ রপ্তানির অনুমোদন দেয়, তার কম ইলিশ যায় ভারতে। যেমন বাণিজ্য মন্ত্রণালয় গত বছর ৭৯টি প্রতিষ্ঠানকে ৩ হাজার ৯৫০ টনের অনুমতি দিলেও বেনাপোল ও আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে সবমিলিয়ে ইলিশ রপ্তানি হয়েছে প্রায় ৮০২ টন।

ইলিশ রপ্তানির প্রথম অনুমতি দেওয়া হয় ২০১৯ সালে। সেবার বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে প্রতি কেজি ইলিশ ৬ ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৫০৭ টাকা) দরে প্রথম তিন চালান পাঠানো হয়। পরে অবশ্য তা প্রতি কেজি ১০ ডলারে উন্নীত হয়।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তথ্যে দেখা যায়, ২০১৯-২০ অর্থবছরে ৪৭৬ টন বা ৪ লাখ ৭৬ হাজার কেজি ইলিশ রপ্তানি হয়। এতে আয় হয় সাড়ে ৩৯ লাখ ডলার। ২০২০-২১ অর্থবছরে ১ হাজার ৬৯৯ টন ইলিশ রপ্তানি করে আয় হয় ১ কোটি ৬৪ লাখ ডলার। তখন প্রতি কেজি ইলিশ মাছ ১০, ৬ ও ৮ ডলার দামে রপ্তানি হয়। ২০২১-২২ অর্থবছরে ১ হাজার ২৩০ টন রপ্তানি করে আয় হয় ১ কোটি ২৪ লাখ ডলার। প্রতি কেজির রপ্তানি মূল্য ছিল ১০ ডলার। ২০২২-২৩ অর্থবছরে ১ হাজার ৩৯১ টন ইলিশ রপ্তানি করে আয় হয় ১ কোটি ৩৮ লাখ ডলার। সর্বশেষ ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ৮০২ টন ইলিশ রপ্তানির মাধ্যমে বাংলাদেশের আয় হয়েছে ৮০ লাখ ডলার। তখন প্রতি কেজি ইলিশ মাছের রপ্তানি মূল্য ছিল ১০ ডলার বা ১ হাজার ৯৮ টাকা।

  • August 29, 2025
  • 0 Comments
রোহিঙ্গাদের ধরে জাহাজে তুলে সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত

মিয়ানমারের নিপীড়িত রোহিঙ্গাদের নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে সমুদ্রে এনে ফেলে দিচ্ছে ভারত। ৪০ জন রোহিঙ্গা শরণার্থী এ অভিযোগ করেছেন। তাদের অভিযোগ, রাজধানী দিল্লি থেকে আটক করে নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে সাগরে ফেলে দেওয়া হয় তাদের।

জাতিসংঘ বলছে, ভারত রোহিঙ্গাদের জীবনকে চরম ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিয়েছে। খবর বিবিসির।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নুরুল আমিন নামে একজন রোহিঙ্গা নাগরিক গত ৯ মে সর্বশেষ তার ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলেন। ফোনালাপটি ছিল সংক্ষিপ্ত, কিন্তু ভয়ংকর সংবাদ বয়ে আনে। তিনি জানতে পারেন, তার ভাই খাইরুলসহ পরিবারের আরো চারজনকে ভারতের সরকার মিয়ানমারে ফেরত পাঠিয়েছে। মূলত ওই দেশটি থেকে তারা বহু বছর আগে প্রাণভয়ে পালিয়ে এসেছিলেন।

দিল্লিতে বসে ২৪ বছর বয়সী আমিন বলেন, “আমার বাবা-মা ও স্বজনেরা কী যন্ত্রণার মধ্যে আছেন, সেটা কল্পনাও করতে পারিনি”।

তাদের দিল্লি থেকে সরিয়ে নেওয়ার তিন মাস পর বিবিসি মিয়ানমারে ওই রোহিঙ্গাদের খুঁজে পায়, যাদের বেশিরভাগই আশ্রয় নিয়েছেন বাহটু আর্মি (বিএইচএ)-এর কাছে। বিএইচএ মূলত একটি প্রতিরোধ গোষ্ঠী যারা দক্ষিণ-পশ্চিম মিয়ানমারে জান্তার সেনাদের বিরুদ্ধে লড়াই করছে।

ভিডিও কলে সৈয়দ নূর বলেন, “আমরা এখানে নিরাপদ নই। পুরো এলাকা যেন যুদ্ধক্ষেত্র”। কাঠের তৈরি ওই আশ্রয়ে তার সঙ্গে ছিলেন আরও ছয়জন রোহিঙ্গা।

শরণার্থী ও দিল্লিতে থাকা তাদের স্বজনরা বলছেন ভাষ্য, বিশেষজ্ঞদের তদন্ত ও তথ্য জোগাড় করে বিবিসি ঘটনার ধারাবাহিকতা পুনর্গঠন করেছে।

তথ্য অনুযায়ী, তাদের দিল্লি থেকে বিমানে বঙ্গোপসাগরের একটি দ্বীপে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে নিয়ে শেষে আন্দামান সাগরে ফেলে দেওয়া হয়, যদিও লাইফ জ্যাকেট দেওয়া হয়েছিল। পরে সাঁতরে তীরে ওঠেন তারা। এখন তারা মিয়ানমারে অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মুখোমুখি। এই দেশটি থেকে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নিপীড়ন এড়াতে পালিয়ে এসেছেন বহু মুসলিম রোহিঙ্গা।

সমুদ্রে ফেলে দেওয়া প্রসঙ্গে জন নামে এক রোহিঙ্গা ফোনে তার ভাইকে বলেন, “আমাদের হাত বেঁধে, চোখ-মুখ ঢেকে বন্দির মতো জাহাজে তোলা হলো। তারপর সমুদ্রে ফেলে দেয়।”

নুরুল আমিন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “মানুষকে কীভাবে এভাবে সমুদ্রে ফেলে দেওয়া যায়? মানবতা পৃথিবীতে এখনো বেঁচে আছে, কিন্তু ভারতের সরকারের মধ্যে আমি কোনো মানবতা দেখিনি।”

মিয়ানমারে মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিবেদক টমাস অ্যান্ড্রুজ বলেন, এসব অভিযোগ প্রমাণের মতো “গুরুত্বপূর্ণ তথ্য” তার হাতে আছে। তিনি জেনেভায় ভারতের মিশন প্রধানের কাছে এ সংক্রান্ত প্রমাণও জমা দিয়েছেন, কিন্তু কোনো উত্তর পাননি।

বিবিসি ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গেও বহুবার যোগাযোগ করেছে, কিন্তু কোনো সাড়া মেলেনি।

উল্লেখ্য, ভারতে রোহিঙ্গাদের শরণার্থী হিসেবে স্বীকৃতি দেয় না; বরং ‘অবৈধ অভিবাসী’ হিসেবে চিহ্নিত করে। বর্তমানে ভারতে প্রায় ২৩ হাজার ৮০০ রোহিঙ্গা জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআরের নিবন্ধিত হলেও, হিউম্যান রাইটস ওয়াচের মতে প্রকৃত সংখ্যা ৪০ হাজারেরও বেশি।

  • August 21, 2025
  • 0 Comments
ভারতের মাটিতে আ.লীগের কার্যালয়, যা জানাল দিল্লি

কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়া আওয়ামী লীগ নিয়ে বাংলাদেশ সরকারের বিবৃতিকে ভুল হিসেবে অভিহিত করেছে ভারত। দেশটি বলেছে, ভারতের মাটি থেকে অন্য দেশের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক কার্যকলাপ পরিচালনার অনুমতি দেয় না সে দেশের সরকার।

বুধবার (২০ আগস্ট) দিল্লিতে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা প্রেস বিবৃতি সম্পর্কে গণমাধ্যমের প্রশ্নের জবাবে ভারত সরকারের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ভারতে আওয়ামী লীগের সদস্যদের দ্বারা বাংলাদেশবিরোধী কোনো কার্যকলাপ বা ভারতীয় আইনের পরিপন্থি কোনো কর্মকাণ্ড সম্পর্কে ভারত সরকার অবগত নয়। সরকার ভারতের মাটি থেকে অন্য দেশের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক কার্যকলাপ পরিচালনার অনুমতি দেয় না। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রেস বিবৃতি তাই ভুল।

রণধীর জয়সওয়াল আরও বলেন, ভারত তার প্রত্যাশা পুনর্ব্যক্ত করে যে, জনগণের ইচ্ছা এবং ম্যান্ডেট নিশ্চিত করার জন্য বাংলাদেশে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব অবাধ, সুষ্ঠু এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

ভারতের মাটিতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যালয়গুলো অবিলম্বে বন্ধ করে দেওয়ার দাবি জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে বাংলাদেশ।

বুধবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওই বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত ও ফৌজদারি মামলার পলাতক আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা এখনও ভারতে অবস্থান করছেন। এদের মধ্যে কয়েকজন গত ২১ জুলাই দিল্লি প্রেস ক্লাবে একটি এনজিওর ব্যানারে সভা করার চেষ্টা করেন এবং উপস্থিত সাংবাদিকদের মধ্যে প্রচারপত্র বিতরণ করেন। বিষয়টি ভারতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।

অন্যান্য