• November 27, 2025
  • 0 Comments
প্লট দুর্নীতির তিন মামলায় শেখ হাসিনার ২১ বছরের কারাদণ্ড

ক্ষমতার অপব্যবহার করে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির পৃথক তিন মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাত বছর করে মোট ২১ বছরের কারাদণ্ড হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় ঢাকার বিশেষ জজ-৫ এর বিচারক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন এ রায় দেন। মামলাগুলোতে শেখ হাসিনা, জয় ও পুতুলসহ আসামি রয়েছেন ২৩ জন।

শেখ হাসিনা, সজীব ওয়াজেদ জয় ও সায়মা ওয়াজেদ পুতুল ছাড়া অপর ২০ আসামি হলেন সাবেক গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ, জাতীয় গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সাবেক সিনিয়র সহকারী সচিব পূরবী গোলদার, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান মো: আনিছুর রহমান মিঞা, সাবেক সদস্য (উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ) শফি উল হক, সাবেক সদস্য (এস্টেট ও ভূমি) মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, সাবেক সদস্য (পরিকল্পনা) মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন, মেজর (ইঞ্জিনিয়ার) সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী, রাজউকের সাবেক উপপরিচালক (এস্টেট ও ভূমি-৩) নায়েব আলী শরীফ, প্রশাসনিক কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম সরকার, অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) কাজী ওয়াছি উদ্দিন, জাতীয় গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব শহীদ উল্লা খন্দকার, সদস্য (প্রশাসন ও অর্থ) কবির আল আসাদ, সদস্য (উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ) তন্ময় দাস, সদস্য (এস্টেট ও ভূমি) মো: নুরুল ইসলাম, সাবেক সদস্য (পরিকল্পনা) মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন, পরিচালক (এস্টেট ও ভূমি-২) শেখ শাহিনুল ইসলাম, পরিচালক (এস্টেট ও ভূমি-৩) মো: কামরুল ইসলাম, উপপরিচালক মো: হাফিজুর রহমান, উপপরিচালক হাবিবুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর সাবেক একান্ত সচিব মোহাম্মাদ সালাউদ্দিন। আসামিদের মধ্যে একমাত্র মোহাম্মদ খুরশীদ আলম গ্রেপ্তার আছেন।

গত ২৩ নভেম্বর মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের জন্য আজকের দিন ধার্য করেন আদালত। যুক্তিতর্কে আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা যাবজ্জীবন প্রত্যাশা করেছেন রাষ্ট্রপক্ষ। তবে পলাতক থাকায় শেখ হাসিনাসহ পরিবারের পক্ষে নেই কোনো আইনজীবী।

  • October 18, 2025
  • 0 Comments
পদ্মা-যমুনায় ইলিশ শিকারের দায়ে ২০ জেলে আটক, কারাদণ্ড

মা ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে পদ্মা-যমুনায় অবৈধভাবে ইলিশ শিকারের দায়ে ২০ জন জেলেকে আটক করে কারাদণ্ড দিয়েছে শিবালয় উপজেলা প্রশাসন। শনিবার রাতে উপজেলার বিভিন্ন পয়েন্টে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
জানা গেছে, রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার আলোকদিয়া মণ্ডলপাড়া এলাকায় সংঘবদ্ধভাবে ইলিশ শিকারের সময় অভিযান চালানো হলে ওজেদ সরকার (৩২), সালাম মণ্ডল (৫০), রুবেল (৩২), সুলতান খাঁ (২৪), বাচ্চু (৩১), লালচাঁন (২৬), শাকিল (২৩), শিবালয় সাতুরিয়ার রাসেল (২০), ইব্রাহিম প্রধান (৩০), জাহাঙ্গীর (২৯), চরবৈষ্ঠমির আলামিন (২২), রাসেল প্রধান (২৬), জসিম সাদার (৩৫), আলোকদিয়ার শহিদুল (৪২), রমজান আলী (২২), রাজদরদী আমিনপুর পাবনার খোকন মিয়া (৩৫) ও মুকবুল শেখসহ মোট ২০ জনকে আটক করা হয়।
পরবর্তীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে প্রত্যেককে ৭ দিনের করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়া, শনিবার (১৮ অক্টোবর) বিকালে পৃথক অভিযানে আরও ৩ জনকে আটক করে জেল-জরিমানা করা হয়েছে।
এ বিষয়ে শিবালয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন জানান, মা ইলিশ রক্ষায় প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। নদী থেকে অবৈধভাবে মাছ শিকার ও বিক্রির সঙ্গে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য ইলিশের টিকে থাকা নিশ্চিত করতে আমাদের এই কঠোর পদক্ষেপ।

  • September 3, 2025
  • 0 Comments
মানিকগঞ্জে শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার দায়ে একজনের কারাদণ্ড

চতুর্থ শ্রেণীর এক শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার দায়ে মো. আকবর হোসেনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন মানিকগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল।

বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম. এ. হামিদ এ রায় ঘোষণা করেন । ওই ট্রাইব্যুনালের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (অতিরিক্ত পিপি) মুহাম্মদ মাছুদুল হক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মো.আকবর হোসেন (৫০), শিবালয় উপজেলার গোবিন্দবাড়ী গ্রামের মৃত মুক্তি হোসেনের ছেলে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৬ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি রাতে শিশুটি মুকবুল পাগলার বাড়িতে গান শুনতে গেলে অভিযুক্ত আকবর হোসেন তাকে ডেকে ইজ্জতের বন্ধ দোকানের সামনে নিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেয় এবং কামড়া কামড়ি করিতে থাকে। তখন চিৎকার করতে গেলে আকবর হোসেন শিশুটির মুখ চেপে ধরে দোকানের সামনে থাকা একটি কাঠের বেঞ্চের ওপর জোরপূর্বক শুইয়ে পরিহিত হাফ প্যান্ট খুলিয়া ধর্ষন করে। ইতিমধ্যে শিশুটির মা তাকে খুঁজতে খুঁজতে ঘটনাস্থলে পৌঁছালে অভিযুক্ত আকবর হোসেন তাকে দেখে ভয়ে শিশুটিকে ফেলে রেখে দ্রুত পালিয়ে যায়।পরবর্তীতে শিশুটি তার মাতার নিকট ঘটনার বিষয়ে বলে।

এই ঘটনায় ২০১৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি শিশুর বাবা শিবালয় থানায় মো.আকবর হোসেনকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।মামলাটি তদন্ত করে ২০১৬ সালের ১৭ মে আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। পরে আসামির বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন,(সংশোধনী ২০২৩) এর ৯(১) ধারায় অভিযোগ গঠন করেন আদালত। দশ জনের স্বাক্ষ্য গ্রহণ শেষে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, (সংশোধনী ২০২০) এর ৯(৪)/খ ধারায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় আদালত আসামিকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করেছেন।

অন্যান্য