• September 2, 2025
  • 0 Comments
মানিকগঞ্জে গাঁজাসহ বিএনপি নেতা আটক

মানিকগঞ্জে গাঁজাসহ এক বিএনপি নেতাকে আটক করে মোবাইল কোর্টে তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) রাতে অভিযান চালিয়ে সোহাগ শিকদারকে ১০০ গ্রাম গাঁজাসহ আটক করা হয়।

দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির নাম মো. সোহাগ শিকদার (৩৫)। তিনি সদর উপজেলার বুরুন্ডী গ্রামের মৃত তাইজুদ্দিন শিকদারের ছেলে এবং হাটিপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সাধারণ সম্পাদক। একইসঙ্গে তিনি স্থানীয় বরুন্ডী প্রগতি সংঘের সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মানিকগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের উপপরিদর্শক মো. আতাউর রহমান সজীব জানান, সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) রাতে অভিযান চালিয়ে সোহাগ শিকদারকে ১০০ গ্রাম গাঁজাসহ আটক করা হয়। পরে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।

পরবর্তীতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শেখ মেজবাহ উল সাবেরিন মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে সোহাগ শিকদারকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ২০০ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করেন। তাকে ইতোমধ্যে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে উপপরিদর্শক সজীব বলেন, সরকার মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। আমরা নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছি এবং এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

  • August 29, 2025
  • 0 Comments
মানিকগঞ্জে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ

মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার বেতিলা মৌজায় প্রায় ২৫ শতাংশ জমি দখলের চেষ্টা চালানোর অভিযোগ উঠেছে সদর উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ফজলুল হকের বিরুদ্ধে।
জমিটির বৈধ মালিক তোরাব আলী দেওয়ান ও আছিয়া খাতুনের উত্তরাধিকারীরা অভিযোগ করেন, ফজলুল হক ও কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি একটি বাহিনী নিয়ে তাদের জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করছেন এবং সেখানে ঘরবাড়ি নির্মাণের হুমকি দিচ্ছেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালের ৭ জানুয়ারি মানিকগঞ্জের সিনিয়র সহকারী জজ আদালত উক্ত জমির মালিকানা তাদের পক্ষেই রায় প্রদান করেন। তবে আদালতের রায় সত্ত্বেও জমি দখলের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগীরা আরও জানান, অভিযুক্ত ফজলুল হক ইতোমধ্যেই জমি থেকে গাছ কেটে নিয়েছেন এবং খুঁটি বসিয়ে বেড়া দেওয়ার কাজ শুরু করেছেন। এ ঘটনায় তারা আদালতের শরণাপন্ন হয়ে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ও ১৪৫ ধারায় আবেদন করেছেন।
এ বিষয়ে ফজলুল হকের বক্তব্য পাওয়া না গেলেও জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এস এ জিন্নাহ কবীর বলেন, ‘যদি কেউ এমন অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকে এবং এর বিরুদ্ধে অভিযোগ আসে, দলীয়ভাবে তদন্ত সাপেক্ষে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এ ধরনের অপরাধে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।’

অন্যান্য