• September 18, 2025
  • 0 Comments
মানিকগঞ্জে প্রশ্নফাঁস কেলেঙ্কারি, শিক্ষক ও কম্পিউটার অপারেটর বরখাস্ত

মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার ঝিট্কা আনন্দ মোহন উচ্চ বিদ্যালয়ে দশম শ্রেণির প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে এক খন্ডকালীন শিক্ষক ও কম্পিউটার অপারেটরকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটে ৭ সেপ্টেম্বর, এবং পরে ১৩ সেপ্টেম্বর এডহক কমিটির সভাপতি এক সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেন।

বরখাস্ত হওয়া দুইজন হলেন,খন্ডকালীন শিক্ষক মেহেদী হাসান, খন্ডকালীন কম্পিউটার অপারেটর জহিরুল ইসলাম।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, দশম শ্রেণির ইংরেজি ১ম পত্র পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ ওঠে তাদের বিরুদ্ধে।

ফাঁস হওয়া প্রশ্নের সাথে বিদ্যালয়ের তৈরি প্রশ্নের বেশ কিছু অংশ হুবহু মিলে যাওয়ায় তা বাতিল করে নতুন প্রশ্নে পরীক্ষা নেওয়া হয়।
এ ঘটনায় যে প্রতিষ্ঠান বিদ্যালয়ের প্রশ্ন ছাপাত, তাদের সঙ্গেও চুক্তি বাতিল করা হয়েছে।

এর আগে এসএসসি পরীক্ষার দায়িত্বে থাকা অবস্থায় মেহেদী হাসানের কক্ষে নকল পাওয়া গিয়েছিল, তখনও তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছিল।

মেহেদী হাসান বলেন,“আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। আমি এসবের সাথে সম্পৃক্ত নই এবং আমার কাছে প্রমাণ রয়েছে।”

জহিরুল ইসলাম বলেন, “২০১৬ সাল থেকে বিদ্যালয়ে কর্মরত আছি। এর আগে এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি। এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার সাথে আমি জড়িত নই।”

ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রেজা সাইফুল ইসলাম বলেন,“অভিযোগ ওঠার পর তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে এবং সভাপতি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন। তদন্ত প্রতিবেদন পেলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

বিদ্যালয়ের সভাপতি হুমায়ুন কবির বলেন, “তদন্ত না হওয়া পর্যন্ত তাদের বিদ্যালয়ের সকল কার্যক্রম থেকে বিরত রাখা হয়েছে।”

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নিগার সুলতানা চৌধুরী বলেন, “ঘটনা জানার পর আমি তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বলেছি এবং ফাঁস হওয়া প্রশ্ন বাতিল করে নতুন প্রশ্নে পরীক্ষা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছি।”

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিদ্যালয়জুড়ে চাঞ্চল্য এবং অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।

অন্যান্য