• September 8, 2025
  • 0 Comments
চাঁদাবাজি ও জমি দখলের প্রতিবাদে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি :

মানিকগঞ্জে সাংবাদিক পরিচয়ে চাঁদাবাজি, জমি দখল ও ভয়-ভীতি প্রদর্শন করে গ্রামবাসীকে অতিষ্ঠ করার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে ভুক্তভোগী এলাকাবাসী। 

সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জেলার সাটুরিয়া উপজেলার ফাজিলাবাড়ি এলাকায় এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

অভিযুক্ত সাদিকুর রহমান শিপন (৩০) বরাইদ ইউনিয়নের ফাজিলাবাড়ি গ্রামের মৃত আব্দুল আজিজের ছেলে।

মানববন্ধনে ধামশর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার মো. আব্দুর রউফ, জেলা মানবাধিকার কমিশনের সহ-সভাপতি মো. ঘটু মিয়া, বরাইদ ইউনিয়ন বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ফেরদৌস খান, ব্যবসায়ী সুরিত খান, মোহাম্মদ বাবুল খান, শহিদ খান সহ শতাধিক গ্রামবাসী উপস্থিত ছিলেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন- আওয়ামী স্বৈরাচারের দোসর সাদিকুল রহমান শিপন সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে এলাকায় মাদকের সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছে। সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের কাজে বাঁধা দিয়ে করছে চাঁদাবাজি, করেছে এলাকায় নিরীহ মানুষের জমি দখল। এ বিষয়ে এলাকার যে বা যারা তাকে বাঁধা দেওয়ার চেষ্টা করছে তাকেই দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে এসে হত্যার হুমকি দিচ্ছে। তারা আওয়ামী লীগের সময়ও এই এলাকার মানুষদের ওপর জোর জুলুম করেছে। তাদের জোর জুলুম এবং অত্যাচার এখনো চালিয়ে যাচ্ছে তারা। আমরা এলাকাবাসী শিপনগং থেকে মুক্তি চাই। 

  • August 29, 2025
  • 0 Comments
মানিকগঞ্জে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ

মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার বেতিলা মৌজায় প্রায় ২৫ শতাংশ জমি দখলের চেষ্টা চালানোর অভিযোগ উঠেছে সদর উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ফজলুল হকের বিরুদ্ধে।
জমিটির বৈধ মালিক তোরাব আলী দেওয়ান ও আছিয়া খাতুনের উত্তরাধিকারীরা অভিযোগ করেন, ফজলুল হক ও কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি একটি বাহিনী নিয়ে তাদের জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করছেন এবং সেখানে ঘরবাড়ি নির্মাণের হুমকি দিচ্ছেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালের ৭ জানুয়ারি মানিকগঞ্জের সিনিয়র সহকারী জজ আদালত উক্ত জমির মালিকানা তাদের পক্ষেই রায় প্রদান করেন। তবে আদালতের রায় সত্ত্বেও জমি দখলের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগীরা আরও জানান, অভিযুক্ত ফজলুল হক ইতোমধ্যেই জমি থেকে গাছ কেটে নিয়েছেন এবং খুঁটি বসিয়ে বেড়া দেওয়ার কাজ শুরু করেছেন। এ ঘটনায় তারা আদালতের শরণাপন্ন হয়ে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ও ১৪৫ ধারায় আবেদন করেছেন।
এ বিষয়ে ফজলুল হকের বক্তব্য পাওয়া না গেলেও জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এস এ জিন্নাহ কবীর বলেন, ‘যদি কেউ এমন অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকে এবং এর বিরুদ্ধে অভিযোগ আসে, দলীয়ভাবে তদন্ত সাপেক্ষে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এ ধরনের অপরাধে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।’

অন্যান্য