• October 18, 2025
  • 0 Comments
পদ্মা-যমুনায় ইলিশ শিকারের দায়ে ২০ জেলে আটক, কারাদণ্ড

মা ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে পদ্মা-যমুনায় অবৈধভাবে ইলিশ শিকারের দায়ে ২০ জন জেলেকে আটক করে কারাদণ্ড দিয়েছে শিবালয় উপজেলা প্রশাসন। শনিবার রাতে উপজেলার বিভিন্ন পয়েন্টে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
জানা গেছে, রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার আলোকদিয়া মণ্ডলপাড়া এলাকায় সংঘবদ্ধভাবে ইলিশ শিকারের সময় অভিযান চালানো হলে ওজেদ সরকার (৩২), সালাম মণ্ডল (৫০), রুবেল (৩২), সুলতান খাঁ (২৪), বাচ্চু (৩১), লালচাঁন (২৬), শাকিল (২৩), শিবালয় সাতুরিয়ার রাসেল (২০), ইব্রাহিম প্রধান (৩০), জাহাঙ্গীর (২৯), চরবৈষ্ঠমির আলামিন (২২), রাসেল প্রধান (২৬), জসিম সাদার (৩৫), আলোকদিয়ার শহিদুল (৪২), রমজান আলী (২২), রাজদরদী আমিনপুর পাবনার খোকন মিয়া (৩৫) ও মুকবুল শেখসহ মোট ২০ জনকে আটক করা হয়।
পরবর্তীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে প্রত্যেককে ৭ দিনের করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়া, শনিবার (১৮ অক্টোবর) বিকালে পৃথক অভিযানে আরও ৩ জনকে আটক করে জেল-জরিমানা করা হয়েছে।
এ বিষয়ে শিবালয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন জানান, মা ইলিশ রক্ষায় প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। নদী থেকে অবৈধভাবে মাছ শিকার ও বিক্রির সঙ্গে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য ইলিশের টিকে থাকা নিশ্চিত করতে আমাদের এই কঠোর পদক্ষেপ।

  • October 11, 2025
  • 0 Comments
শিবালয়ে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ শিকার ও বিক্রি, আটক ৩

মানিকগঞ্জের শিবালয়ে মা ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে অবৈধভাবে ইলিশ শিকার ও বিক্রির অভিযোগে তিনজনকে আটক করেছে উপজেলা প্রশাসন।
শনিবার (১১ অক্টোবর) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জাকির হোসেন এর নেতৃত্বে পদ্মা-যমুনা নদী ও আশপাশের বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে সহায়তা করে মৎস্য বিভাগ, নৌ পুলিশ ও শিবালয় থানা পুলিশ।
নালী গ্রাম এলাকা থেকে অবৈধভাবে ইলিশ শিকারের সময় আটক করা হয়, সিরাজুল (৩৬), স্বপন হালদার (৪৪) ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের প্রত্যেককে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
একইদিন উপজেলার টেপড়া বাজার থেকে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ বিক্রি করার দায়ে ব্যবসায়ী সাদ্দাম (৩৩) কে আটক করা হয়।
তাকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

অভিযানে ইলিশ শিকারে ব্যবহৃত প্রায় ৩ লাখ মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল উদ্ধার করে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। জব্দকৃত ১২ কেজি ইলিশ স্থানীয় এতিমখানায় বিতরণ করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন বলেন,“ইলিশ আমাদের জাতীয় সম্পদ। মা ইলিশ রক্ষা করা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের খাদ্য নিরাপত্তার সঙ্গে জড়িত। তাই সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”
স্থানীয় প্রশাসনের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সচেতন এলাকাবাসী। তাদের মতে, এই ধরনের অভিযান আরও জোরদার হলে মা ইলিশ সংরক্ষণ সহজ হবে এবং মাছের প্রজনন বেড়ে উঠবে।

অন্যান্য