• November 27, 2025
  • 0 Comments
ইমরান খানের মৃত্যু খবরে পাকিস্তানে উত্তেজনা, কারাগার কর্তৃপক্ষের বিবৃতি

পাকিস্তানের রাজনীতিতে এক নতুন উত্তেজনার জন্ম দিয়েছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের মৃত্যুর গুজব। রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারের ভিতরে এই খবর ছড়িয়ে পড়ার পর দেশজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

ইমরান খানের তিন বোন অভিযোগ করেছেন, বারবার সাক্ষাতের জন্য আবেদন করলেও তাদের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। এমনকি কারাগারে ভাইয়ের সঙ্গে দেখা করার চেষ্টার সময় পুলিশের হাতে মারধরের শিকার হয়েছেন তারা।

কারাগারের বাইরে নিরাপত্তা বাহিনীর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এই খবর পিটিআই সমর্থকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। আদিয়ালা কারাগারের আশেপাশে হাজার হাজার পিটিআই নেতাকর্মী জড়ো হয়েছেন।

এই পরিস্থিতিতে আদিয়ালা কারাগার কর্তৃপক্ষ বিবৃতি প্রদান করেছে। গালফ নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তারা জানিয়েছে, ইমরান খান কারাগারেই আছেন এবং তাকে অন্যত্র সরানোর কোনও তথ্য ভিত্তিহীন। কারাগারের কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে, তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ আছেন এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সুবিধা পাচ্ছেন।

ইমরান খান ২০২২ সালে অনাস্থা ভোটে প্রধানমন্ত্রিত্ব হারান। এরপর তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি, সেনাবাহিনী সদর দফতরে হামলা ও রাষ্ট্রের গোপন নথি ফাঁসসহ বিভিন্ন অভিযোগ আনা হয়। ২০২৩ সালে একাধিক নাটকীয় পরিস্থিতির পর গ্রেপ্তার হন তিনি। আগস্ট ২০২৩ থেকে তিনি কারাগারে অবস্থান করছেন।

পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ জানিয়েছেন, কারাগারে ইমরান খানকে সর্বোচ্চ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। তিনি দাবি করেছেন, এখানে তিনি যে সুবিধা পাচ্ছেন, তা অনেক ক্ষেত্রেই পাঁচ তারকা হোটেলের থেকেও বেশি।

খাজা আসিফ বলেন, “তার জন্য যে খাবার আসে, সেটির মান পাঁচ তারকা হোটেলের চেয়ে কম নয়। তার কাছে টেলিভিশন রয়েছে এবং ইচ্ছা অনুযায়ী যে কোনো চ্যানেল দেখতে পারেন। ব্যায়ামের যন্ত্রাংশও রয়েছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রীর জন্য ডাবল বেডের ব্যবস্থা করা হয়েছে।”

  • November 27, 2025
  • 0 Comments
মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে শিয়াল আতঙ্ক : সাত দিনে ৪ শিশু-সহ ডজন খানেক মানুষ আহত

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি :
মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার চরাঞ্চলে হঠাৎ করেই ক্ষুধার্ত শিয়ালের আগ্রাসন ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। প্রতিদিনই লোকালয়ে ঢুকে হাঁস-মুরগি শিকার করা থেকে শুরু করে শিশু ও পথচারীদের ওপর হামলা চালাচ্ছে বন্যপ্রাণীটি। গত সাত দিনে লেছড়াগঞ্জ ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে চার শিশুসহ বহু মানুষকে কামড়ে আহত করেছে এক বা একাধিক শিয়াল। আতঙ্কে সন্ধ্যা নামলেই গ্রামবাসী ঘর থেকে বের হতে সাহস পাচ্ছেন না।

লেছড়াগঞ্জ চরে গিয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, পাঠানকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চার শিক্ষার্থীসহ বেশ কয়েকজনকে শিয়ালের কামড়ের ঘটনায় এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। আহতদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে প্রথমে হরিরামপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে, পরে ফরিদপুর ও ঢাকায় পাঠান।

আহতরা হলো- গঙ্গাধরদীর আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে আব্দুল্লাহ (৭), ইদ্রিসের মেয়ে ইভা আক্তার (৬), রাজু বিশ্বাসের ছেলে রাকিব (৫), শেখ জহিরুলের ছেলে বিপ্লব (৯) ।

ইভা আক্তারের বাবা ইদ্রিস জানান “বিকেলে বারান্দায় পড়ছিল মেয়ে, হঠাৎ শিয়াল এসে কামড়ে দেয়! এরপর আরও ১০–১২ জনকে কামড়ায়। মেয়েকে নিয়ে ফরিদপুরে ভ্যাকসিন দিচ্ছি। একজনের অবস্থা খারাপ হওয়ায় ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।”

রাকিবের মা বলেন,“শেয়ালে আমার ছেলেকে অনেক জায়গায় কামড়িয়েছে। প্রথমে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিলেও পরে ঢাকায় নিতে হয়েছে।”

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাবিব খান বলেন, “একদিনেই আমাদের স্কুলের চার শিক্ষার্থীকে কামড়িয়েছে। শিক্ষক–শিক্ষার্থী সকলেই ভয় নিয়ে সময় পার করছে।”

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. কাজী একেএম রাসেল জানান, কয়েকজনকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে, একজন শিশুর অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে ঢাকায় নেওয়া হয়েছে।

হরিরামপুর উপজেলা বন কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন।
ঢাকা বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা বিভাগের বন্যপ্রাণী পরিদর্শক নিগার সুলতানা বলেন,“মানুষের বসতি বাড়ায় শিয়ালের খাদ্যসংকট দেখা দিয়েছে। তাই শিয়াল লোকালয়ে ঢুকে পড়ছে। বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও স্থানীয়দের সচেতন করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।”

  • November 26, 2025
  • 0 Comments
মানিকগঞ্জে হেফাজতে ইসলামের মহা-সমাবেশের ডাক

মহান আল্লাহ তায়ালাকে নিয়ে অবমাননাকর কটুক্তিমূলক বক্তব্য প্রদান ও তৌহিদী জনতার উপর উদ্দ্যেশ্যপ্রণদিত হয়রানির চেষ্টার প্রতিবাদে মানিকগঞ্জ জেলায় মহা-সমাবেশের ডাক দিয়েছে হেফাজতে ইসলাম, বাংলাদেশ।
আগামী ২৯ নভেম্বর শনিবার মানিকগঞ্জ জেলা শহরের মানিকগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় খেলার মাঠে (বিজয় মেলা মাঠ) সকাল ১০টায় এ মহা-সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে হেফাজত নেতৃবৃন্দ।

বুধবার (২৬ নভেম্বর) দুপুরে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মানিকগঞ্জ জেলার যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মুফতি আব্দুল হান্নান ও প্রচার সম্পাদক মাওলানা ক্বারী ওবায়দুল্লাহ এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

নেতৃবৃন্দ জানান, মহা-সমাবেশে হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় মহাসচিব শায়েখ সাজিদুর রহমান, আল্লামা মামুনুল হক, জুনায়েদ আল হাবীব, আল্লামা আইয়ুবীসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন।সহ সকল কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

  • November 26, 2025
  • 0 Comments
শান্ত মানিকগঞ্জকে অশান্ত করল বাউল আবুল সরকার, কেন এমন উত্তাল হলো চারদিক?

এ এস এম সাইফুল্লাহ :
মানিকগঞ্জ-যে জেলাটি দীর্ঘদিন ধরেই শান্ত ও স্থিতিশীল হিসেবে পরিচিত, সেই জেলাকে নাড়িয়ে দিয়েছে বাউল শিল্পী আবুল সরকারের বিতর্কিত মন্তব্য।
ঘটনা ৪ নভেম্বর, ঘিওরের জাবরা খালা পাগলির মেলামঞ্চ। গান পরিবেশন করতে গিয়ে আল্লাহ ও ইসলামের বিরুদ্ধে চরম ধৃষ্টতাপূর্ণ ও আপত্তিকর মন্তব্য করেন তিনি। মুহূর্তেই ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায়। দেশজুড়ে ক্ষোভের আগুন। মুসল্লিদের দাবী—“এই অপরাধীকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করতে হবে।”

আইনের দ্বারস্থ ধর্মপ্রাণ জনগণ :

ঘটনার পর ২০ নভেম্বর ঘিওর বন্দর মসজিদের ইমাম মুফতি মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ বাদী হয়ে মামলা করেন। সেদিনই মাদারীপুর থেকে ডিবি পুলিশ আবুল সরকারকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করলে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

কিন্তু প্রশ্ন রয়ে গেল-এত উত্তেজনার আগেই কেন তাকে গ্রেপ্তার করা হলো না? প্রশাসন কি দায়িত্ব পালনে শৈথিল্য দেখিয়েছে?

আইনবিদদের চোখে অপরাধ স্পষ্ট :

ভয়েস অব লয়ার্স এর প্রধান সমন্বয়ক, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী আশরাফ-উজ-জামান বলেন, “এটি স্পষ্ট ধর্ম অবমাননা। দণ্ডবিধি ২৯৫(এ)-তে এটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। তাকে যেকোনো সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গ্রেপ্তার করতে পারত।”

মানিকগঞ্জের সর্বস্তরের আলেম ওলামাদের সংবাদ সম্মেলন :

সংবাদ সম্মেলনে আলেম-ওলামারা জানান, গত ২৩ নভেম্বর সাড়ে ৯টার দিকে মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ডের রাজ হোটেলের সামনে থেকে আমাদের শান্তিপূর্ণ মিছিলটি পুলিশের উপস্থিতিতে নির্ধারিত রুট অনুসরণ করে বিজয় মেলার মাঠের সামনে শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে সমাবেশের জন্য প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছিল। এমন সময় শিল্পী আবুল সরকারের অনুসারীরা বিজয় মেলার মাঠে জটলা পাকিয়ে অবস্থান করছিলো। প্রশাসন তাদেরকে সেখান থেকে সরিয়ে দিলেও তারা খানিক দূরে গিয়ে অবস্থান নেয়। তাদের অবস্থানে এক ধরনের উসকানি ছিলো। এক পর্যায়ে দূর থেকে তাদের মারমুখী অবস্থা লক্ষ করা গেলে সমাবেশের পেছন দিকের বিক্ষুব্ধ জনতা ক্ষোভে ফুসে ওঠে। নেতৃস্থানীয় কয়েকজন পুলিশদের সাথে নিয়ে বিক্ষুব্ধ জনতাকে সমাবেশস্থলে জড়ো করতে থাকেন। এ সময় বাউলদের পক্ষ হতেও আক্রমণ করা হয় আবার তৌহিদী জনতার সমাবেশ হতে বিক্ষুব্ধ জনতা সংঘর্ষে জড়ায়।

এসময় উভয় পক্ষের কয়েক জন সংঘর্ষে আহত হয়। আমরা আহত সবাইকে দেখতে ও খোঁজ-খবর নিতে হাসপাতালে যাই। আমরা সবার সুস্থতা কামনা করে দোয়া করি।

বক্তারা বলেন, পুলিশ প্রশাসন বাউলদের সাড়ে ১১টার দিকে শহরের প্রেস ক্লাব চত্বরে মানববন্ধন করার অনুমতি প্রদান করেছে বলে আমরা জানতে পারি। কিন্তু তাদের সময়ের ঘণ্টা খানের আগেই কেন তারা আমাদের নির্ধারিত সমাবেশ স্থলের নিকটে অবস্থান করতে থাকলো? পুলিশ তাদের দূরে সরে যেতে বললেও তার তা অমান্য করে কয়েক গজ দূরে গিয়ে অবস্থান কেন নিলেন? মূলত তারা ইচ্ছাকৃতভাবে একটি বিশৃঙ্খলা লাগানোর জন্যেই এমনটা করেছে।

শিবালয় উপজেলার শাহিলী গ্রামের জালাল সরকার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক এবং তিনি আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসাবে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করেছে। তিনি আবুল সরকারের আত্মীয়। বাউলদের পক্ষে মাঠে নামা লোকদের বেশির ভাগই বিগত আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পদের নেতা-কর্মী। এই আবুল সরকার প্রকাশ্যে নৌকার পক্ষে ভোট চেয়েছেন এবং সাবেক এমপি মমতাজকে মা বলে সন্বোধন করেছেন।

তারা বলেন, ‘সামনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিশৃঙ্খলা তৈরি ও এই বিষয়টিকে নিয়ে দেশে একটা বড় রকমের যড়ষন্ত্র করার চেষ্টা করছে।’

ইসলামি পণ্ডিতরা বলেন, আবুল সরকারের চারটি মন্তব্যই ছিল চরম কুফরি, যা তার ধর্মীয় অজ্ঞতা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বিদ্বেষের বহিঃপ্রকাশ।

মাওলানা ইসলামাবাদী জানান, “রাষ্ট্রের দায়িত্ব ছিল তাকে সঙ্গে সঙ্গেই আইনের আওতায় আনা। বরং প্রশাসন উদাসীন ছিল এবং পরে আবার বাউলদের পক্ষেই দাঁড়িয়েছে।”

শান্ত জেলায় অশান্তির আগুন :

মানিকগঞ্জের স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মানুষদের মতে, “শান্ত মানিকগঞ্জকে উত্তাল বানিয়েছে আবুল সরকারের মুখের সেই চারটি বাক্য।”
মুফতি আবদুল হান্নান বলেন, “দেশজুড়ে উত্তেজনা থাকলেও মানিকগঞ্জ ছিল শান্ত। আবুল সরকার সেই শান্তিকে ভেঙে দিয়েছে। আমরা তার সর্বোচ্চ শাস্তি চাই।”

পুলিশের মন্তব্য :

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, “আল্লাহকে নিয়ে মন্তব্য থেকে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। সংঘর্ষের পর আবুল সরকারের বাড়িতে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

  • November 26, 2025
  • 0 Comments
ধর্ম নিয়ে কটুক্তির শাস্তি মৃত্যুদণ্ড চেয়ে আইন উপদেষ্টাসহ ৪ জনকে লিগ্যাল নোটিশ

ইসলাম এবং অন্যান্য ধর্ম নিয়ে কটূক্তিকারীদের বিরুদ্ধে বিশেষ আইন-এর অধ্যাদেশ জারি করে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড চেয়ে আইন উপদেষ্টাসহ চার জনকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
গতকাল (মঙ্গলবার – ২৫ নভেম্বর) বিকেলে ডাকযোগে এই লিগ্যাল নোটিশ পাঠান সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. জাকির হোসেন।
লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো অন্যান্যরা হলেন, আইন সচিব, ধর্ম বিষয়ক উপদেষ্টা এবং ধর্ম বিষয়ক সচিব।
লিগ্যাল নোটিশে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশের ৯০ শতাংশ মুসলিম দেশ বেশিরভাগ মানুষ ইসলামকে ধারণ করে এবং মেনে চলে। মসজিদেও একসাথে সমবেত হয়ে নামাজ আদায় করেন এবং এক আল্লাহর ইবাদত করে ও আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সঃ) এর উপর দরূদ পাঠ করেন। ঠিক এমন পর্যায় এসে ৯০ শতাংশ মুসলিম দেশে বাউল আবুল সরকার স্বয়ং আল্লাহকে নিয়ে কূটুক্তি করেছে তার বিচার কেন মৃত্যুদণ্ড হবে না? কঠিন বিচারের মাধ্যমে ইসলামকে নিয়ে কটুক্তি করার সাহস ও চিন্তা চেতনা যেন কারো না হয় এমন শক্ত আইন হিসাবে স্পেশাল আইন এর অধ্যাদেশ জারি করা আবশ্যক। অন্যথায় দিনের পর দিন ধর্ম অবমাননা বেড়েই চলবে।
আরও বলা হয়, যেহেতু ইসলাম ধর্মে স্পষ্টভাবে বলা আছে ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি না করার কথা। তাই দেশকে সুরক্ষা দিতে ও দেশের মানুষকে ধর্ম অবমাননার মতো জঘন্য কাজে লিপ্ত না হতে ধর্মীয় বিষয় অবমাননা বিষয়ে বিশেষ আইন অধ্যাদেশ জারি করা একান্ত আবশ্যক। এক ধর্মের লোক যেন অন্য ধর্মের অবমাননা না করতে পারে এবং নিজ ধর্মের মানুষও নিজ ধর্মকে কটাক্ষ করতে না পারে, সেই ব্যবস্থা গ্রহণ করা একান্ত প্রয়োজন।

  • November 25, 2025
  • 0 Comments
মানিকগঞ্জে রাস্তার পাশ থেকে মাছ ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার

মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলায় রাস্তার পাশ থেকে জাকির হোসেন (৪৩) নামে এক মাছ ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) দুপুরে সিংগাইর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জে ও এম তৌফিক আজম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে আজ ভোরে উপজেলার বকচর রাস্তার নুরুল ইসলামের বাড়ির সামনে থেকে জাকিরের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত জাকির হোসেন উপজেলার চান্দহর ইউনিয়নের চারচামটা গ্রামের মৃত বুদ্দু মিয়ার ছেলে। তিনি মাছের ব্যবসা করতেন।

নিহতের স্ত্রী সানোয়ারা বেগম জানান, গতকাল সোমবার রাত ৮টার দিকে প্রতিদিনের মতো বাড়ির পাশের আনন্দবাজারে চা খেতে যান আমার স্বামী। এর পরে আর ঘরে ফেরেনি। আমরা রাতে তার খোঁজ করলেও পায়নি। পরে রাত আনুমানিক ৪টার দিকে এক সবজি চাষি সানোয়ার খবর দেয় যে আমার স্বামীর লাশ রাস্তার পাশে পড়ে আছে।

এ বিষয়ে সিংগাইর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জে ও এম তৌফিক আজম বলেন, জাকির হোসেনের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

  • November 25, 2025
  • 0 Comments
৫ ঘণ্টা পর কড়াইল বস্তির আগুন নিয়ন্ত্রণে

ফায়ার সার্ভিসের ১৯টি ইউনিটের চেষ্টায় সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা পর রাজধানীর কড়াইল বস্তির আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। 

মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) রাত ১০টা ৩৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এর এদিন বিকেল ৫টা ২২ মিনিটে আগুন লাগে।

ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বিষয়টি নিশ্চিত করেন। 

তিনি বলেন, ফায়ার সার্ভিসের ১৯টি ইউনিট কাজ করে রাত ১০টা ৩৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছে। তবে, বস্তির ঘিঞ্জি এলাকা এবং ঘটনাস্থলে তীব্র পানি সংকটের কারণে আগুন নেভাতে কর্মীদের ব্যাপক বেগ পেতে হয়।

ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আগুন ভয়াবহ আকার ধারণ করায় বস্তির শতাধিক ঘর সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

এদিকে,আগুনে কেউ হতাহত হয়েছে কি-না, সেটি এখনও নিশ্চিত করতে পারেননি কর্মকর্তারা। আগুন সূত্রপাত সম্পর্কেও তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানাতে পারেনি ফায়ার সার্ভিস।

  • November 25, 2025
  • 0 Comments
ধর্ম অবমাননার অপরাধে বাউল আবুল সরকারের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে : বিভিন্ন ইসলামী নেতৃবৃন্দ

মহান আল্লাহর শানে জঘন্য শব্দ ব্যবহার করে ধর্ম অবমাননার অপরাধে গ্রেফতারকৃত বাউল আবুল সরকারের দৃষ্টান্তমূলক কঠোর শাস্তির দাবি করেছেন বিভিন্ন ইসলামী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) পৃথক পৃথক বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, মহান আল্লাহর শানে জঘন্য শব্দ ব্যবহার করে বাউল আবুল সরকার সুস্পষ্টভাবেই ধর্ম অবমাননা করেছে। এটি কেবল ফৌজদারি অপরাধ নয়, বরং বাংলাদেশের কোটি কোটি ধর্মপ্রাণ মুসলিমের হৃদয়ে আঘাত হানার শামিল। ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের এই গুরুতর অপরাধের জন্য বাউল আবুল সরকারের সর্বোচ্চ আইনি শাস্তি নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের অপরিহার্য দায়িত্ব।

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ, ঢাকা জেলা উত্তর: মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে হেফাজত ঢাকা জেলা উত্তরের সভাপতি হাফেজ মাওলানা আলী আকবর কাসেমী ও সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আলী আজম বলেন, মহান আল্লাহর শানে জঘন্য শব্দ ব্যবহার করে বাউল আবুল সরকার সুস্পষ্টভাবেই ধর্ম অবমাননা করেছে। এটি কেবল ফৌজদারি অপরাধ নয়, বরং বাংলাদেশের কোটি কোটি ধর্মপ্রাণ মুসলিমের হৃদয়ে আঘাত হানার শামিল। ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের এই গুরুতর অপরাধের জন্য বাউল আবুল সরকারের সর্বোচ্চ আইনি শাস্তি নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের অপরিহার্য দায়িত্ব। আল্লাহর শানে বেয়াদবি ও ধর্মীয় বিশ্বাসের প্রতি আঘাত কখনোই মতপ্রকাশের স্বাধীনতা হতে পারে না। এটা স্পষ্টই ইসলাম বিদ্বেষ। নব্বই ভাগ মুসলমানের দেশে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার নামে ইসলাম বিদ্বেষ বরদাশত করা হবে না। প্রভাবশালী কিছু মিডিয়া জঘন্য এই অপরাধ হালকা করতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদ প্রচার করছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই। অপরাধীকে রক্ষা করা, তার দোষ হালকা করা কিংবা জনতার ন্যায়সঙ্গত ক্ষোভকে উল্টো দোষারোপ করে তাদের হয়রানির চেষ্টা এসবই ন্যায়বিচারের পথ রুদ্ধ করার শামিল, যা কারোর জন্যই সুখকর হবে না।
বিবৃতিতে বলা হয়, ধর্ম অবমাননার মতো গুরুতর অপরাধের পর প্রশাসনের নির্লিপ্ততার সুযোগে আবুল সরকারের অনুসারীরা মানববন্ধনের দুঃসাহস দেখালে সাধারণ জনগণ সেটাকে প্রতিহত করেন। বিচ্ছিন্ন এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মানিকগঞ্জের বিভিন্ন পর্যায়ের আলেমদের প্রশাসনের কর্মকর্তারা গ্রেফতারের হুমকি সহ নানাবিধ হয়রানি করছেন। অবিলম্বে আলেম ওলামা ও ইসলামপ্রিয় ব্যক্তিদের অহেতুক হয়রানি বন্ধ করতে হবে। তারা বলেন, ধর্মদ্রোহী বাউল আবুল সরকারের কঠোর শাস্তি নিশ্চিত এবং মানিকগঞ্জের আলেম উলামা ও জনসাধারণকে হয়রানি বন্ধ না করলে ঢাকা আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করে অচল করে দেওয়া হবে ইনশাআল্লাহ।

আন্তর্জাতিক মজলিসে তাহাফফুজে খতমে নবুওয়ত: ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে গ্রেফতার বাউল শিল্পী আবুল সরকারের বিষয়ে দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক মজলিসে তাহাফফুজে খতমে নবুওয়ত বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা মুহিউদ্দীন রাব্বানী। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ধর্মীয় অনুভুতিতে আঘাতের অভিযোগের বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত ও আইনানুগ বিচার নিশ্চিত করা জরুরি। যাতে ভবিষ্যতে কেউ এ ধরনের দায়িত্বহীন মন্তব্য করার সাহস না পায়। বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, সামাজিক মাধ্যমে প্রচারিত বক্তব্যে আবুল সরকার মুসলমানদের পবিত্র ধর্মীয় মূল্যবোধকে আঘাত করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে, যা দেশব্যাপী উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। এ পরিস্থিতিতে আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সঠিক তদন্ত ও বিচার হওয়াই একমাত্র গ্রহণযোগ্য পথ। কোনোভাবেই এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিশৃঙ্খলা বা সংঘর্ষ সৃষ্টি করা উচিত নয়।

তিনি বলেন, সংবেদনশীল ধর্মীয় বিষয়ে দায়িত্বশীলতা ও সংযম বজায় রাখা সবার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ধর্মীয় অনুভূতিকে আঘাত করার যে কোনো প্রয়াসকে আইনগত কাঠামোর মধ্য দিয়ে মোকাবিলা করতে হবে। তবে ব্যক্তিগত আক্রমণ, বিদ্বেষ উসকে দেওয়া বা আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার মতো আচরণ সম্পূণরুপে অনভিপ্রেত। তিনি আরও উল্লেখ করেন, সামাজিক মাধ্যমে প্রচারিত একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে বিষয়টি আলোচনায় আসে। এ ধরনের যেকোনো ঘটনার বিচার হতে হবে স্পষ্ট প্রমাণের ভিত্তিতে গুজব বা আবেগের ওপর নয়। সমাজে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই সর্বাধিক জরুরি।

তিনি বলেন, “আইনের যথাযথ প্রয়োগ, সামাজিক শান্তি রক্ষা এবং সা¤প্রদায়িক স¤প্রীতি বজায় রাখা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। পাশাপাশি কোনো পক্ষ যেন উত্তেজনা সৃষ্টি না করে বা আইন হাতে তুলে নেওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি না করে এটি সমাজের সামগ্রিক নিরাপত্তার স্বার্থেও গুরুত্বপূর্ণ।” বিবৃতিতে তিনি সকলকে শান্ত ও সংযত থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “আমরা আশা করি, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত পরিচালনা করবেন এবং আইনের মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবেন। সা¤প্রদায়িক স¤প্রীতি ও সামাজিক স্থিতিশীলতা রক্ষা আমাদের সবার যৌথ দায়িত্ব।

বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি: বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা সাইফুল ইসলাম ফরিদী আজ মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে বলেন, বাউল সম্প্রদায় হলো বাংলার এক বিশেষ আধ্যাত্মিক ও লোকজ স¤প্রদায় যারা গান এবং প্রচলিত ধারার বাহিরে সাধনার মাধ্যমে আধ্যাত্মিক জ্ঞান লাভ করে থাকে। এই সম্প্রদায় সদস্যরা মূলত গৌড়ীয় বৈষম্য এবং সুফি নামধারী বাঙালি মুসলমানদের নিয়ে গঠিত তারা দেহকে কেন্দ্র করে সাধন ভজন করেন বলে তারা দাবি করেন। আসলে এর আড়ালে তারা মূলত সহজ সরল মুসলমানদের ঈমান ধ্বংস করার জনগোষ্ঠী হয়ে উঠেছে তারা দেহকে সাধন ভোজন এর নামে মুসলমানদের ঈমানকে ধ্বংস করে এবং তারা শরীয়তকে বাদ দিয়ে মারফতের নামে আমাদের ইসলাম ধর্মের কালিমা নামাজ রোজা হজ যাকাত ইসলামী তাজীব তামাদ্দুন সহ বিভিন্ন বিষয়ে কে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে বিষাদ গান করে এবং তারা সুকৌশলে মুসলমানদেরকে শিরক বিদআত কুফরির দিকে নিয়ে যায়। তাদের কথা বার্তা কাজে কর্মে মুসলিম বলার কোন সুযোগ নেই মূলত তারা মুসলিম নামধারী কাফের। এদেরকে রুখে দেওয়ার এখনই মুখ্যম সময় এবং এদের সমস্ত কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবে নিষেধাজ্ঞা করার দাবি সরকারের নিকট তুলে ধরতে হবে। তাহলেই সাধারণ মানুষ এদের হাত থেকে রক্ষা পাবে আত্মসাধনার নামে সাধারণ মানুষ কাফের মুশরিক হওয়া থেকে রক্ষা পাবে। বাউল নামধারী কাফেরদের ধর্ম অবমাননার বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূল শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। আল্লাহর আমাদের ঈমান ও ইসলামকে হেফাজত করুন আমীন।

  • November 25, 2025
  • 0 Comments
বাউল আবুল সরকারকে নিয়ে অবস্থান স্পষ্ট করলো হেফাজতে ইসলাম

আল্লাহর অবমাননাপূর্বক মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগ এনে বাউল আবুল সরকারের দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেছেন হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব আল্লামা সাজেদুর রহমান। 

বুধবার (২৫ নভেম্বর) এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, বাউল আবুল সরকার প্রকাশ্যে আল্লাহকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য ও মিথ্যাচার করে স্থানীয় সচেতন মুসলমানদের প্রতিবাদের মুখে গ্রেপ্তার হয়েছেন, যা আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। তাকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের সাংঘর্ষিক পরিস্থিতি কাম্য নয়। মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের দায়ে আমরা উসকানিদাতা আবুল সরকারের দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করছি, যাতে ভবিষ্যতে আর কেউ এভাবে ধর্মীয় উত্তেজনা সৃষ্টিকারী বক্তব্য দেওয়া থেকে বিরত থাকে। 

তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় প্রশাসনের কেউ স্থানীয় প্রতিবাদী আলেম সমাজ ও ধর্মপ্রাণ জনতাকে হয়রানি করলে তার পরিণতি ভালো হবে না বলে আমরা কঠোরভাবে সরকারকে হুঁশিয়ারি দিচ্ছি। ধর্ম অবমাননার ক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। 

তিনি বলেন, স্যোশাল মিডিয়ায় এক ভিডিওতে সচেতন বাউলশিল্পীরাও আবুল সরকারের ইসলামবিরোধী কথাবার্তার সমালোচনা করে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। ফলে আবুল সরকারের ইসলাম অবমাননার বিষয়টি আড়াল করার সুযোগ নেই। আমাদের প্রশ্ন, বাউল আবুল সরকারের পক্ষে দাঁড়ানো সেক্যুলার প্রগতিশীলরা কি সমাজে ধর্ম অবমাননা করার অধিকার চান? 

হেফাজত মহাসচিব আরও বলেন, তাসাউফ বা সুফিবাদ ইসলামের আত্মদার্শনিক রূপ। কিন্তু বাউলবাদের আড়ালে কারো ইসলাম বিকৃতি ও অবমাননা সমর্থনযোগ্য নয়। কথিত বাউল আবুল সরকারের সুস্পষ্ট ধর্ম অবমাননা সত্ত্বেও তার পক্ষে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদী মুসলমানদের কলঙ্কিত করা এ দেশে ইন্ডিয়ার স্বার্থ রক্ষার শামিল। এ ঘটনায় ইন্ডিয়াপন্থী উগ্র বামরাও সরব হয়েছে। জুলাই বিপ্লব বানচাল করতে ইন্ডিয়ার চক্রান্তে দেশে যেকোনো অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা প্রতিহত করা হবে ইনশাআল্লাহ।

  • November 24, 2025
  • 0 Comments
মানিকগঞ্জে আলেম-ওলামাদের শান্তিপূর্ণ সমাবেশকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টা : অভিযোগ আয়োজকদের

নিজস্ব প্রতিবেদক, মািনকগঞ্জ ॥
মহান আল্লাহ তায়ালাকে নিয়ে বাউল শিল্পী আবুল সরকারের কটূক্তিকে কেন্দ্র করে মানিকগঞ্জে সৃষ্টি হওয়া পরিস্থিতি নতুন মোড় নিয়েছে। আলেম-ওলামা, তাওহিদী জনতা ও সাধারণ মানুষের দাবি—“শাস্তির দাবিতে শান্তিপূর্ণ সমাবেশকে পরিকল্পিতভাবে বিতর্কিত করার চেষ্টা চলেছে।”

রোববার (২৩ নভেম্বর) সকালে মানিকগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ ও স্টেডিয়াম রোড, হঠাৎ দুই পক্ষের উত্তেজনায় রণক্ষেত্রে রূপ নিলেও আয়োজক আলেম-ওলামারা স্পষ্ট জানিয়ে দেন, “মারামারিতে আমাদের সংগঠনের কেউ জড়িত নয়, এটি অনাকাঙ্ক্ষিত, উদ্দেশ্যমূলক ও পরিকল্পিত।”

রোববার সকাল ৯টায় ঘোষিত কর্মসূচিতে সহস্রাধিক তৌহিদী জনতা মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড থেকে মিছিল বের করে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ঘেরাও করে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ ও স্মারকলিপি প্রদান করেন।

অন্যদিকে একই সময়ে বাউল সমর্থকদের প্রেসক্লাব এলাকায় কর্মসূচির অনুমতি থাকলেও, শহরের বিভিন্ন স্থানে তাদের সমাবেশ ও অবস্থান উত্তেজনা বাড়ায়। দেখা যায়, বাউল নেতাদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা, অতঃপর ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হলে সাধারণ মানুষ আতঙ্কে ছুটতে থাকে।

তৌহিদী জনতার দাবি“প্রথম হামলা করেছে ছদ্মবেশী দুষ্কৃতিকারী বাউলপন্থীরা, আমরা আত্মরক্ষায় সাড়া দিয়েছি।”
পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করলেও সামাজিক মাধ্যমে দোষারোপ, গুজব, বিভ্রান্তি সব মিলিয়ে উত্তপ্ত নেটদুনিয়া।

তৌহিদী জনতার পক্ষে মুফতি আব্দুল হান্নান বলেন, “মানিকগঞ্জে আগে কোনোদিন বাউলদের ওপর আক্রমণ হয়নি। আমরা সহাবস্থানে বিশ্বাসী, “যারা মারামারি করেছে, তারা ব্যক্তিগতভাবে করেছে আলেমদের নয়, “এই শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিকে নষ্ট করতে কুচক্রী মহল মাঠে নেমেছে।

আয়োজকদের একজন ক্বারী ওবায়দুল্লাহ জানান, দ্রুতই আলেম সমাজের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

সাধারন মানুষের একটাই প্রত্যাশা ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত, উস্কানিদাতা চিহ্নিতকরণ ও আইনি ব্যবস্থা এখন সময়ের দাবী।

অন্যান্য