মানিকগঞ্জের শিবালয়ে জমি নিয়ে পারিবারিক দ্বন্দ্ব থেকে শুরু, শেষ হলো থানার ভেতর ভয়ভীতি আর মুচলেকার নাটক দিয়ে।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, থানার ওসি অকথ্য গালিগালাজ করে হাজতে আটকে রাখেন, পরে গভীর রাতে জোরপূর্বক মুচলেকায় সই করিয়ে বলেন, “আগামীকাল সন্ধ্যার মধ্যে ভিটেমাটি ছেড়ে না দিলে মিথ্যা মামলা দিয়ে হাত-পা ভেঙে জেলে ঢুকাবো।”
পরের দিন বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। নালী–পাটুরিয়া সড়কে মানববন্ধনে ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী ন্যায়ের দাবিতে একত্রিত হন।
ভুক্তভোগী রফিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, আদালতের দুটি রায় আমাদের পক্ষে থাকা সত্ত্বেও সালমা আক্তার মিথ্যা অভিযোগ দেন। থানায় গেলে আমাকে ওসির কক্ষে নিয়ে ধমক-চড়াও করে হাজতে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। গভীর রাতে মুচলেকা স্বাক্ষর নিতে বাধ্য করেন। ওসি হুমকি দেন-যদি জমি না ছাড়ি তবে একের পর এক মামলা দিয়ে আমাকে জেলে পাঠানো হবে, হাত-পা ভেঙে দেওয়া হবে।
তিনি জানান, রাতে ছাড়া পাওয়ার পর মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। পরদিন সকালে শিবালয় থানার ওসির বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ নিয়ে মানিকগঞ্জ পুলিশ সুপারের দ্বারস্থ হন।
ঘটনা মুহূর্তেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি করে।
অন্যদিকে, শিবালয় থানার ওসি কামাল হোসেন অভিযোগ অস্বীকার করে একে ‘বানোয়াট’ বলে দাবি করেছেন।
